দরিদ্রতম জেলা কুড়িগ্রামের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের জন্য সংবাদ সম্মেলন আহবান করা হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সৈয়দ শামসুল হক মিলনায়তনে কুড়িগ্রাম জেলা রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান অর্থ সম্পাদক মোয়াচ্ছেল হোসেন। তার সাথে ছিলেন গণকমিটির সভাপতি লাইলী বেগম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার রায়, সহ-সভাপতি আব্দুস শহীদ চৌধুরী, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক চাষী নুরন্নবী সরকার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামের উন্নয়নে ১৩টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে, বালাসিঘাট ট্যানেলের সাথে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলাকে সম্পৃক্ত করা, চিলমারী-সুন্দরগঞ্জ তিস্তা সেতুতে রেলপথ যুক্ত করা, চিলমারী-ঢাকা রুটে আন্তনগর ট্রেন ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেস চালু করা, একাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু করা,নবায়ণযোগ্য ৫শ’ মেট্রিক ক্ষমতা সম্পন্ন সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের নামে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা, মাছ, পাখি, প্রাণ ও জমি রক্ষায় স্থানীয় ও জাতীয় বালু দস্যুদের হটাও এবং ব্রহ্মপূত্রের খনিজ ভিত্তিক শিল্পায়ন, রৌমারীকে মুক্তাঞ্চল হিসেবে গেজেট প্রকাশ, ভাঙন থেকে রক্ষা ও গ্যাস পাইপ-রেললাইন সম্প্রসারণ, কুড়িগ্রাম থেকে সোনাহাট স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল সংযোগ, চিলমারী টু রৌমারী ও রাজিবপুর ফেরী সংযোগ চালু, লালমনিরহাট বিমানবন্দর পূণরায় চালুকরা, মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত থেকে গরীব কৃষকদের রক্ষা করা এবয় কুড়িগ্রাম জেলার জন্য বিশেস বাজেট চালু করা।

সংবাদ সম্মেলনে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হোসেন, সাংবাদিক হুমায়ুন কবির সূর্য্য, মাহফুজার রহমান খন্দকার, ফজলে ইলাহী স্বপন, তৌহিদুল বকসী ঠান্ডা, শাহীন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য