২৭ জুন বুধবার ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ এ শিক্ষার্থীরা দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ ভর্তির দাবিতে গাড়ি ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ, অধ্যক্ষসহ অফিস কক্ষে ও একাডেমিক ভবনের গেটে তালা দিয়ে শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

জানা যায়, ২০১৪ সালে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একমাত্র অধিভূক্ত শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজে অর্নাস কোর্স খোলা হয়। এতে ৬১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। ৪ বছর ধরে শিক্ষার্থীরা শহীদ আকবর আলী কলেজে বিবিএ সম্পন্ন করে।

নিয়মিত এমবিএ ভর্তির জন্য হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপালী ব্যাংকে ৭’শ টাকা দিয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে । ভর্তি ফরমে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাক্ষর ও জমা না নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা হতাশায় পড়ে । শিক্ষার্থীরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।

আজ বুধবার শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ ড. তৈয়বা খাতুন এর কক্ষে তালা মেরে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে কলেজের কর্মচারীরা তালা খুলে ফেলে । একাডেমিক ভবনের গেটে ও তালা লাগিয়ে শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে। কলেজের মিনিবাসের গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে এবং অগ্নি সংযোগসহ কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ।

বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম সাজেদুল ইসলাম এসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন। পরবর্র্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঃ মান্নান কলেজ ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে একাডেমিক ভবনে চাবি নিয়ে একাডেমিক ভবনের তালা খুলে দেন।

 

শিক্ষার্থীরা ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করে বলে, কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এমবিএ কোর্স ভর্তি হওয়ার সুযোগ প্রদান করবে। আামদের যে কোন মূল্যে এমবিএ ভর্তি হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। আমরা যদি ভর্তি হওয়ার সুযোগ না পায় তাহলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার হয়ে যাবে।

অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ আঃ মান্নান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বালিয়াডাঙ্গীর থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম সাজেদুল ইসলাম আলোচনায় বসেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আঃ মান্নান জানান, অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছে আবেদন নিয়ে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিবেন এবং এই নিয়ে একটি কমিটি গঠন হয়েছে। শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ এর অধ্যক্ষ ড. তৈয়বা খাতুন জানান, ভর্তির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য