মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ থেকেঃ বীরগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ৩৭টি পদের বিপরিতে ৩ জন ডাক্তার চিকিৎসা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, পাল্টাপুর, সুজালপুর, নিজপাড়া, মোহাম্মদপুর, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর, মরিচা ইউনিয়ন সমুহের ৯৯টি ওয়ার্ড ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডসহ ১০৮টি ওয়ার্ডের ৬১৯ বর্গ কিলোমিটার এলাকার ৩৪০টি মৌজায় পুরুষ ও মহিলা সহ মোট ৩,৪৯,৬৮৪ জন মানুষ রয়েছে। ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৩৭ জন স্থলে ৩ জন ডাক্তার চিকিৎসা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন।

উপজেলার পাল্টাপুর ও মোহাম্মদপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, নিজপাড়া, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর, মরিচা ইউনিয়ন সমুহের একজন করে মোট ১০জন মেডিকেল অফিসারের পদ থাকলেও বর্তমানে শুন্য রয়েছে।

৩ জন ডাক্তার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, হাসপাতালের ইনডোর-আউটডোর রোগিদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তারাই আবার সিজার ডেলিভারীকে না বলুন এবং নরমাল ডেলীভারীকে হাঁ বলুন স্লোগান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডাক্তার নার্স ও কর্মচারী একযোগে নরমাল ডেলীভারীর কাজ করছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৩৭টি পদের বিপরিতে আবাশিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহামুদুল হাসান পলাশ তার সহ ধর্মিনী ডাঃ সুলতানা আফরোজ লুনা সহ ৩৭ জন ডাক্তারের স্থলে ৩ জন ডাক্তার রয়েছি। তদুপরি সরকারী কাজ থেমে নেই, নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে আমরা একযোগে কাজ করছি।

তিনি বলেন, গত মাসে ৬০জন ও চলতি মাসে ৪৫জন গর্ভবতী প্রসুতির নিরাপদে ও বিনা খরচে নরমাল ডেলিভারী করা হয়েছে। ডাক্তার সংকটের বিষয়টি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করেছি। বিশেষ চিকিৎসার ক্ষেত্রে গর্ভবতী মা ও বীর-মুক্তিযোদ্ধা রোগিদের এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য