“প্রেমেতে মজিল মন, কিবা হাড়ী কিবা ডম” মুসলমান ছেলের সঙ্গে হিন্দু মেয়ের দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক করে আসছিল। তারা ধর্মকে বিসর্জন দিয়ে প্রমান করতে চায় ভালবাসায় তাদের কাছে সবচেয়ে বড় ধর্ম। কিবা হাড়ী কিবাডম প্রেমেতে মজিল মন, এমনই ঘটেছিল তাদের। সবকিছু ভুলে গিয়ে তারা প্রেমে আবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু সমাজিক ভাবে তাদের এমন অবৈধ মেলামেশা কে মেনে নেইনি। ৮ মাস অবৈধ মেলামেশার পর অবশেষে শ্রী ঘরে যেতে হল তাদের। এমন ঘটনা ঘঠেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে।

পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫নং বাচোর ইউনিয়নের মহেষপুর (মধুয়াবাড়ী) গ্রামের এহেসান আলীর ছেলে আসাদুল ইসলাম (১৭) ’র সঙ্গে ৪নং লেহেম্বা ইউনিয়নের হিন্দু সাম্প্রদায়িক ওপেন চন্দ্র নার্থর এর মেয়ে কনিকা (১৪্র)’র অবৈধ সম্পর্ক ছিল প্রায় ৮মাস। প্রেমিক আসাদুল বিয়ে করার ছলনা দিয়ে কনিকাকে তার বাড়ীতে আসতে বলে। এমন কথা শুনে কনিকা তার বাড়ীতে ২দিন যাবৎ অবস্থান করে এবং স্বামী স্ত্রীর মত তারা মেলা মেশা করেছে।

এমন খবর পেয়ে থানা গত ২০ জুন বুধবার সন্ধ্যায় ছেলে এবং মেয়েকে উদ্ধার করে। ওই রাতেই মেয়ের ভগনিপতি উজ্জল নামক ব্যক্তি বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ৯(১) ধারা মতে ধর্ষনের অপরাধে প্রেমিক আসাদুল ইলামের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য খালেদুর রহমান জানান, ছেলে এবং মেয়ে ঢাকায় একই কোম্পানিতে চাকুরী করে। সেইখান থেকেই তাদের সম্পর্ক হয়। মেয়েকে ছেলের বাড়ীতে রাখার ফলে কানাঘুষা হলে মেয়েকে তার এক বান্ধবির বাড়ীতে রেখে আসে। বিষয়টি বান্ধবির মা জানতে পেয়ে তাদের ওই এলাকার ইউপি সদস্য লাঠুয়ার কাছে জমা দেয়। লাঠুয়া অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতে পেয়ে তাদের পুলিশের হাতে সপর্দ্দ করে। থানা অফিসার ইচার্জ আঃ মান্নান ঘটে যাওয়া ঘটনাটিকে নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য