নীলফামারীর ডোমারে সুমী রানী (২০) নামে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুমীর বাবার বাড়ীর লোকজন এটিকে হত্যা বললেও তার শশুরবাড়ীর লোকজন বলছে সে আত্মহত্যা করেছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের চৌরঙ্গী সতিকুরা পাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। সুমী সীতাকুরি পাড়ার দিপক কুমারের স্ত্রী ও বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের হরতকি তলা গ্রামের সুশীল রায়ের মেয়ে।

সুমীর জা মাধবী রানী জানান, সকালে আমি টিউবওয়েলে বাসন ধোয়ার কাজ করছিলাম। এ সময় সুমীদি চিড়া ধুয়ে কলের পার থেকে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ঘরের মধ্যে গলায় গরুর দড়ি দিয়ে সে আত্মহত্যা করে। তবে কি কারনে সে আত্মহত্যা করেছে তা তিনি বলতে পারছেন না।

সুমীর স্বামী দিপক কুমার জানান, সকালে আমি নাস্তা ভাত খেয়ে বাড়ী থেকে বের হই। সে সময় সে আমাকে জানায় সে গরুর খাবার কাটতে মাঠে যাবে। আমি বাজারে চলে যাবার একঘন্টা পর জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে। তবে আত্মহত্যার কোন কারন তিনি জানাতে পারেননি।

সুমীর মা গীতা রানী কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, তার মেয়েকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তারা প্রতি নিয়ত আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। ১৫দিন আগেও তার শশুরবাড়ীর লোকজন তাকে বেদম পারপিট করেছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি তার মেয়ে হত্যার বিচার দাবী করেছেন।

ডোমার থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোঃ মোকছেদ আলী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে প্রেরণ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য