দু’জনের নামের অদ্যাক্ষর ‘প’। একজন এপারের। অন্যজন ওপারের। বলছি বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী পার্থ বড়ুয়া ও কলকাতার অভিনেত্রী পার্নো মিত্রর কথা।

এবারই প্রথম দু’জনে একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন ভারতের দার্জিলিংয়ে। সেখানে ‘মায়া’ নামের একটি টেলিছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা।

গল্পটা সংক্ষেপে এমন- রায়হান কবির একজন ফিল্মমেকার। ভালো ছবি নির্মাণে তার সুনাম রয়েছে। রায়হানের ছবির জন্য একজন অভিনেত্রী প্রয়োজন। অনেক মেয়ে দেখে সে, কিন্তু কিছুতেই মনের মতো হয় না। একরকম হতাশা নিয়ে হাল ছেড়ে দেয় রায়হান।

এরপর? কয়েকদিনের জন্য মনটাকে একটু শান্তি দেওয়ার জন্য পাহাড়ে যায় রায়হান। সেখানে মায়া নামের একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। রায়হান ধীরে ধীরে আবিষ্কার করে, যে চরিত্রটাকে সে লালন করছে সেই হচ্ছে মায়া। কিন্তু মায়ার মায়া কাটিয়ে ছবিটা আর শেষ করা হয় না রায়হানের।
রায়হান চরিত্রে পার্থ আর মায়ার ভূমিকায় দেখা যাবে পার্নোকে। গল্পে আদিবাসী শিশুদের নাচ শেখায় মায়া। টেলিছবিটির গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন পারভেজ আমিন।

তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘গল্পের প্রয়োজনেই কলকাতার একজন অভিনেত্রীকে নিতে হয়েছে। পার্নো মিত্রের অভিনয়ের মুন্সিয়ানার কথা না বললেই নয়। তার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে মাঝে মধ্যে কাট বলতে ভুলে যেতাম!’

নিজের ঈদের কাজ প্রসঙ্গে পারভেজ আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘প্রতি ঈদে আমি একটাই নাটক কিংবা টেলিছবি বানাই। তাই ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা থাকে। চাইলে আমি ১০টা কাজ করতে পারি। কিন্তু আলাদা কিছু দেখানোর তাগিদ থাকে আমার। আশা আছে, এবারের কাজটিও দর্শকদের ভালো লাগবে।’

দার্জিলিংয়ে গত ২৬ মে শুরু হয় ‘মায়া’র শুটিং। টানা সাতদিন পর শেষ হয়েছে ২ জুন। এনটিভিতে এবারের রোজার ঈদের দিন দুপুর আড়াইটায় প্রচার হবে টেলিছবিটি।

২০১১ সালে অঞ্জন দত্তের ‘রঞ্জনা আমি আর আসবো না’ ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় জমকালো অভিষেক হয় পার্নো মিত্রের। ৩১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর ছবির তালিকায় রয়েছে মৈনাক ভৌমিকের ‘বেডরুম’, ‘মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর’ ও ‘আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ডস’, কৌশিক গাঙ্গুলির ‘অপুর পাঁচালী’, সৃজিত মুখার্জির ‘রাজকাহিনী’ প্রভৃতি।

বাংলাদেশের মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ডুব’ ছবিতেও অভিনয় করেন পার্নো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য