মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) থেকেঃ দীর্ঘ ১০ ঘন্টা অন্ধকারে থাকার পর অবশেষে জেনারেটর দিয়ে চলছে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। চরম দুর্ভোগে পড়েছে শিশু, ডায়রিয়া ও মহিলা বিভাগের রোগীরা। রোগীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রয়োজন সারছেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক রোগী হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন বলে জানা গেছে।

একটি সূত্র জানায়, রবিবার দুপুর ২টায় হঠাৎ বিদুুৎহীন হয়ে পড়ে হাসপাতাল। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ১০ ঘন্টা অন্ধকারে কাটাতে হয় রোগীদের। গরম ও অন্ধকারে দূর্ভোগে পড়েন চিকিৎসাধিন রোগীরা। তবে এদের মধ্যে শিশু, ডায়রিয়া ও মহিলা ওয়ার্ডের রোগীদের অবস্থা করুন হয়ে পড়ে। অনেকে মোমবাতি, টর্চলাইট ও মোবাইলের লাইট ব্যবহার করে প্রয়োজন মেটায়। হাসপাতালের অন্ধকার থাকার কারণে কিছু রোগী হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন বলে ওই সূত্রটি জানায়।

অবশেষে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সংবাদকর্মীরা খোঁজখবর নেয়া শুরু করলে টনক নড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। চালু করা হয় জেনারেটর। তবে অন্ধকারে রয়েছে হাসপাতালের মূল ফটকসহ, আবাসিক ভবন ও অধিকাংশ কক্ষ। জেনারেটর দিয়ে কয়েকটি কক্ষে আলোর ব্যবস্থা করা হলেও চলছে ফ্যানসহ চিকিৎসা কাজে ব্যবহার্য যন্ত্রাংশ।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আরিফুল হক সোহেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি বিদু্যুৎ বিভাগকে জানানো হয়েছে।

সৈয়দপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আলী জিন্নাহ সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য