দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরে শীর্ষ ২ নব্য জেএমবির সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অস্ত্র মামলায় ৪ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে বিচারক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন।

বুধবার দিনাজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভুঞা আদালতে এই চাঞ্চল্যকর অস্ত্র মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টায় এই মামলার আসামী নব্য জেএমবির শীর্ষ ২ এহসার সদস্য লালমনিরহাট সদর উপজেলার বানভাষা গ্রামের শামসুল আলম খন্দকারের পুত্র মোসাব্বিরুল আলম খন্দকার ওরফে প্রিন্স (২৮) ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের সাখওয়াত হোসেনের পুত্র শরিফুল ইসলাম ওরফে ডেনিস (৩০)কে কড়া পুলিশ প্রহরায় আদালতে হাজির করা হয়।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারী মামলার সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে সমনজারী করা হয়েছিল। সমন পেয়ে মামলার এজাহারকারী বীরগঞ্জ থানার এসআই শাহাদত হোসেন আদালতে হাজির হয়ে তার সাক্ষ্য প্রমান করেছে। ওই দিন অপর ৪ জন সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদেরকে আদালতে হাজির করে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য বিচারক তাদের বিরুদ্ধে পুনরায় সমন জারীর আদেশ প্রদান করেছিলেন।

ওই ৪ সাক্ষীরা হলেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছগ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র মোশাররফ হোসেন, ইসমাইল হোসেনের পুত্র আমির আলী এবং একই উপজেলার প্রাণনগর গ্রামের মফিজুল হকের পুত্র এমদাদুল হক ও রইসউদ্দীনের পুত্র মহির উদ্দীন। সাক্ষীরা বুধবার ধার্য্য তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় ওই ৪ সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়। আগামী ৩১ জুলাই ওই ৪ সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করতে পুলিশের প্রতি বিচারক আদেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে, ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের সিংড়া গুচ্ছগ্রামের সিরাজুল ইসলামের আলু ক্ষেত থেকে নব্য জেএমবির শীর্ষ এহসার সদস্য মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারকে ৪২ রাউন্ড গুলি ও ১টি অত্যাধুনিক রাইফেলসহ জনগনের সহায়তায় পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়।

এই ঘটনায় বীরগঞ্জ থানার এসআই শাহাদত হোসেন বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ডিবি পুলিশের এসআই বজলুর রশিদ গত বছর ১০ জানুয়ারী তদন্ত করে নব্য জেএমবির এহসার সদস্য মোসাব্বিরুল ও শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য