বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড় মহাসড়ক কৃষকের তিল, ধান মাড়াই সহ গৃস্থালি কাজকর্মের উঠানে পরিণত হয়েছে।

বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার মহাসড়কের পাগলি ডাংগী, গোয়ালগছ, তিরনহাট শ্রমিক ইউনিয়ন, খয়খাটপাড়া, রণচন্ডি বিজিবি ক্যাম্প, ডাকবদলী, বুড়াবুড়ী, মাগুড়মারী ক্যাম্পের আশপাশ,বোর্ড বাজার নামক স্থানে কৃষকেরা ধান মাড়াই করে পুরো সড়কে খড়-খুটা শুকানো সহ স্তুপ করে রাখছে। কোন স্থানে মরিচ ও খড় কুটরা শুকানো হচ্ছে।

মহাসড়কে কৃষকের গৃস্থালি কার্জকর্ম করার প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি সড়ক দূর্ঘটনাও বাড়ছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে বাংলাবান্ধা মহাসড়কের সিপাইপাড়া নামক স্থানে ধান শুকাতে ট্রাক চাপায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া রণচন্ডি এলাকায় দুই স্কুল ছাত্র সহ তিনজন মটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। মহাসড়কের উপর খড় কুটা স্তুপ করে রাখায় সাধারণ পথচারীরা চলেফেরায় নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়ে ছোট বড় সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

সচেতন মহল তেঁতুলিয়া-বাংলাবান্ধা মহাসড়ক ভায়া পঞ্চগড় মহাসড়কে দূর্ঘটনা প্রতিরোধে রাস্তার কৃষকের খড়-খুটা রাস্তায় শুকানো বন্ধের ব্যাপারে প্রশাসনের আশু দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন বলেন, মানবিক কারণে এলাকার মানুষকে গৃহস্থালী কাজকর্মে বাধা করা যাচ্ছে না। তবে সড়কের উপর এসব কাজকর্ম বন্দের ব্যাপারে পরিষদের পক্ষ থেকে প্রচারনা অব্যাহত আছে।

তেঁতুলিয়া থানার হাইওয়ে অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক বলেন, সড়কের উপর গৃহস্থালী কাজকর্ম বন্দের জন্য মাইকিং করে প্রচারণা চালানোর পরও কোন ভাবে কমছে না। ওই এলাকায় জনসচেতনতার ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসার আহবান করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, স্থানীয় ইউ’পি চেয়ারম্যানদের স্ব-স্ব এলাকায় মহাসড়ক সহ অন্যান্য সড়কে গৃহস্থালী কাজ কর্ম বন্দের জন্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কাজে কোন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান যদি ব্যর্থ হয়। তবে উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তাৎক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তা বন্দ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য