গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধর্মপুর এসআইডি ভোকেশনাল স্কুলে সুপারিনটেনডেন্ট আনজুমানআরা বেগমের কর্তৃক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষর জাল করায় তাকে শ্রীঘরে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, আনজুমানআরা বেগম ভোকেশনাল স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট পদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছিলেন। বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসলেও তার কোন বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় নিজেই নিজকে দুর্বল মনে করতেন।

এ অবস্থা চলতে থাকায় গত ১২ই মে আনজুমান আরা বেগম নিজের নিয়োগ নিজেই নেয়ার জন্য বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়ার স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশনসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমুদয় কাগজপত্র তৈরি করেন।

পরে তা গত ২২ই মে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (এমপিও) দপ্তরে প্রেরণ করলে প্রেরিত রেজুলেশনসহ নিয়োগ প্রতিনিধির নিয়োগের কাগজ পত্রাদিগুলো সন্দেহভাজন হওয়ায় পরিচালক মহোদয় সংশ্লিষ্ট স্কুলের সভাপতি ও নির্বাহী অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে বিষয়টি তার দৃষ্টি গোচরে আনেন।

এ নিয়ে নির্বাহী অফিসার মঙ্গলবার সুপারিনটেনডেন্ট আনজুমানআরা বেগমকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করে ক্ষমা চান ক্ষমা চাইলেও তা প্রত্যাখান করে পুলিশের নিকট সোপর্দ্দ করেন।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী এটিএম এন্তাজ আলী বাদী হয়ে সুন্দগঞ্জ থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে শ্রীঘরে প্রেরণ করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য