আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদে গাইবান্ধার সচেতন নাগরিকদের বিশাল এক মানববন্ধন ও সমাবেশের কর্মসূচি পালিত হয়।

বুধবার শহরের ডিবি রোডের ১নং ট্রাফিক মোড়ে সম্মিলিত নাগরিক সমাজ এই মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করেন। সকল শ্রেণি পেশার এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের নিজস্ব সংগঠনের ব্যানার নিয়ে স্বতঃস্ফুর্তভাবে সড়কের দু’পাশে দাঁড়িয়ে এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয়। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত নাগরিক সমাজের আহবায়ক অ্যাড. শামছুল আলম প্রধান, সদস্য সচিব আলমগীর কবির বাদল, সদস্য আবু জাফর সাবু, জিএম চৌধুরী মিঠু ও আরিফুল ইসলাম বাবু।

বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার সম্মিলিত নাগরিক সমাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত মাদকের বিরেুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থানকে ধন্যবাদ জানায় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সারাদেশে মাদক বিরোধী তাঁর অনমনীয় অবস্থানকে সর্বাত্মক সমর্থন জানায়। তাঁর এই অবস্থানকে সার্বিক সহযোগিতা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গাইবান্ধার নাগরিকরা সচেষ্ট থাকবে। সেইসাথে তারা গাইবান্ধা জেলাকে মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

বক্তারা গাইবান্ধা পৌর মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তিনি বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদের নাতি। তাঁর বাবা মরহুম শাহ জাহাঙ্গীর কবীর গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জের এমপি ছিলেন। জেলার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি ব্যাপক সমাদৃত। সর্বোপরি গাইবান্ধা শহর ও গাইবান্ধা জেলার সর্বস্তরে তিনি ও তাঁর পরিবারের সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। তাঁকে হেয় করতেই কোনো একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় তাকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে এই ঘৃণ্য অপপ্রচার সম্পর্কে সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান বক্তারা।

যে সমস্ত সংগঠন নিজস্ব ব্যানার নিয়ে স্বতঃস্ফুর্তভাবে মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন, জেলা মটর মালিক সমিতি, পৌর কর্মচারি সংসদ, মোহনা, জাহানারা সংগীত বিদ্যালয়, যুব নাগরিক কমিটি, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, সুরবানী সংসদ, গাইবান্ধা বালাসীঘাটের জেলা নৌকা মালিক সমিতি, গাইবান্ধা সমন্বয় সমিতি, বাংলাদেশ পুস্তক ব্যবসায়ী ও বিক্রেতা সমিতি, জেলা শ্রমিক কর্মচারি ফেডারেশন, জেলা মাইক্রোবাস মালিক সমিতি, কার মাইক্রো মালিক, জেলা রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, নতুন বাজার কমিটি, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, জেলা অটোবাইক শ্রমিক কল্যাণ সোসাইটি, পাদুকা ব্যবসায়ি মালিক সমিতি ও কর্মচারি ঐক্য পরিষদ, পৌর শশ্মান মন্দির ও সৎকার কমিটি, স্বর্ণশিল্প কারিগর ইউনিয়ন, পৌর টেইলার্স মালিক সমিতি, বন্ধু সংসদ, আসাদুজ্জামান গালর্স স্কুল ও কলেজ, বাংলাদেশ কলেঝ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জেলা বার এসোসিয়েশন, ডেভিড কোম্পানীপাড়া এলাকাবাসি, সদর উপজেলা দলিল লেখকবৃন্দ, পৌরপার্ক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি সমিতি, কাচারী বাজার ব্যবসায়ি সমিতি, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, নবারুন ক্রীড়া চক্র, গোরস্থানপাড়া ক্রীড়া সংস্থা, সচেতন মহিলা পরিষদ, হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ি ও দোকান মালিক সমিতি, জেলা পিকআপ চালক সমিতি, জেলা পিকআপ মালিক সমিতি, পৌর হরিজন ঐক্য পরিষদ, পৌর পার্কের হকার্স ব্যবসায়িবৃন্দ, শনি মন্দির রোড হকার্স ব্যবসায়ি সমিতি, জেলা ট্রাক ট্রাংকলড়ী কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, কাচারী বাজার ব্যবসায়ি কল্যান সমিতি, গোড়স্থানপাড়া ক্রীড়া সংস্থা, গাইবান্ধা বন্ধু নাইনটি টু, জুবলী পুরাতন কাপড় মার্কেট, জেলা ঔষুধ ব্যবসায়ি সমিতি, সালিমার সুমার মার্কেট ব্যবসায়ি সমিতি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য