মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁওঃ মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, সমাজের সরূদয়বান ব্যাক্তিরা একটু এগিয়ে আসলেই বেচে যাবে মেধাবী ছাত্রী সেতু রানীর জীবন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শান্তিনগর (দক্ষিণ সালন্দর) এলাকার বাসিন্দা মেধাবী সেতু রানী রায়।

তার বাবা- কৃষ্ণ চন্দ্র রায়। পিডিপি বর্তমানে নেকসো লিমিটেডের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। অসুস্থতার মাঝেও সেতু আর,কে,স্টেট স্কুল থেকে এসএসসিতে- ৪.৮৩ পেয়ে পাশ করেছে। সে PEC পরীক্ষায় গোল্ডেন-5, JSC পরিক্ষায় গোল্ডেন-5 পেয়েছে।

সুস্থ হয়ে আরও পড়ালেখা করতে চায় সেতু। সেতু ৩ বছর যাবৎ লোপাস ( S.L.E) নামক দুরারোগ্যে ভুগছে। ডাক্তার ভালো চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে বলেছেন। যার জন্য ৭/৮ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। যা সেতুর অসহায় বাবার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়।

৩ বছরে চিকিৎসার খরচ জোগাতে আজ প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছে তার বাবা। সেতুর চিকিৎসার জন্য সাধ্যমত সাহায্য করতে সমাজের বিত্তবান, সহৃদয়বান মানুষদের কাছে বিনীত আবেদন জানান সেতুর বাবা।

আর,কে,স্টেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম স্বপন, বলেন সেতু আমাদের স্কুলের একজন অনেক ভাল ছাত্রী, সে পড়ালেখায় সবসময়েই ভাল, হঠাৎ করেই দুুুুরারোগ্যে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থতায়ও এসএসসিতে ভাল রেজাল্ট করেছে। সমাজের সহৃদয় বৃত্তবানরা এগিয়ে এলেই বেচে যাবে মেধাবী ছাত্রী সেতুর জীবন।

সেতু বর্তমানে বাত রোগ বিশেষজ্ঞ, ডাক্তার অভিজিত এর তত্তাবধানে আছেন, মুঠোফোনে তিনার সাথে কথা হলে তিনি বলেন এরোগ নিরাময়ে উন্নত চিকিংসা প্রয়োজন, দেশের বাহিয়ে চিকিংসা করালে ভাল হবার সম্ভাবনা আছে। তবে এ রোগ পুরোপুরি ঠিক হয় না, দেখা যায় রোগী বেশ কিছুদিন ভাল থাকবে বা বেশকিছু বছর ভাল থাকবে। পরে আবার দেখা দিতে পারে।

রোগ পুরোপরি নিরাময় না হলেও কন্ট্রোল করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তবে উন্নত চিকিংসা করালে অনেক সময় ভাল হওয়ার নজিরও আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য