যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০১৬ সালের প্রচারণা শিবিরে অন্যায় উদ্দেশ্যে এফবিআই কর্মীরা গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছিল কিনা সে বিষয়ে তদন্ত করবে মার্কিন বিচার বিভাগ। স্থানীয় সময় রবিবার এমন তদন্তের দাবি জানিয়ে ও নির্দেশ দেবার কথা বলে একটি টুইট করেন ট্রাম্প। পাশাপাশি জানতে চান, তার আগের কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন কিনা। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশ হয়েছে যে, ট্রাম্পের নির্বাচনী শিবিরের সহযোগীদের বৈঠকে এফবিআইয়ের একজন গুপ্তচর ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রড রজেন্সটেইন বলেন, এরকম কোন অনুপ্রবেশের প্রমাণ মিললে এর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

রজেন্সটেইন এক বিবৃতিতে বলেন, যদি কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা শিবিরে অন্যায় উদ্দেশ্য নিয়ে অনুপ্রবেশ করে থাকে বা শিবিরের সদস্যদের পর্যবেক্ষণ করে থাকে তাহলে আমাদের সেটা জানতে হবে এবং শীঘ্রই তার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ট্রাম্প প্রথমে শুক্রবার অভিযোগ করেন যে, এফবিআই তার প্রচারণা শিবিরে একজন গুপ্তচর পাঠিয়েছিল। ট্রাম্প টুইটে লিখেন, এটা একেবারে প্রথম দিকে করা হয়েছে। ভুয়া ‘রাশিয়া ধাপ্পাবাজি’ জনপ্রিয় ভুয়া খবর হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার আগে। এফবিআইয়ের গুপ্তচরবৃত্তির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরো লিখেন, সত্য প্রমাণিত হলে- এটা সর্বকালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে ট্রাম্প শিবিরের ভেতর আদতেই এফবিআইয়ের একজন গোয়েন্দা ছিল। প্রতিবেদনে, ওই গোয়েন্দার নাম প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ট্রাম্প শিবিরে থাকার খবর পাওয়ার পর এফবিআই শিবিরে গুপ্তচর পাঠায়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ওই গুপ্তচর হচ্ছেন, যুক্তরাজ্যে কর্মরত একজন আমেরিকান শিক্ষাবীদ। প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টও একইরকম একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য