কঙ্গোয় ইবোলার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে গ্রামাঞ্চল থেকে একটি শহরে পৌঁছে গেছে, এতে রোগটি নিয়ন্ত্রণ করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়বে এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দেশটির মুবানডাকা শহরের এক বাসিন্দা রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা কালেঙ্গা, খবর বিবিসির।

চলতি মাসের প্রথমদিকে কঙ্গোর যে এলাকায় প্রথম ইবোলা আক্রান্ত একজনকে শনাক্ত করা হয়, সেখান থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে মুবানডাকা শহর, যেখানে প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস।

এই শহরটি কঙ্গোর যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। সড়কপথে শহরটি রাজধানী কিনশাসার সঙ্গেও যুক্ত।

কঙ্গোয় এখন ইবোলা আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত আরও ২৩ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, কঙ্গোর ইকুয়েটর প্রদেশের তিনটি স্বাস্থ্য জোনে ইবোলার নিশ্চিত, সম্ভাব্য ও সন্দেহভাজন ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর পিটার সালামা জানিয়েছেন, সম্ভবত রোগটির সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন ৪৩০ জনকে শনাক্ত করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা এবং ইবোলা রোগীদের সংস্পর্শে এসেছেন এমন আরও চার হাজারেরও বেশি লোককে শানাক্ত করার চেষ্টা করছেন তারা।

ওইসব লোক উত্তর-পশ্চিম কঙ্গোজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে প্রায় ১১ হাজার ৩০০ লোক ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য