দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর সদর উপজেলার পল্লীতে পুত্রের লাঠির আঘাতে বাবা নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘাতক পুত্র কনষ্টেবল সোহেল রানাকে গ্রেফতার করেছে।

দিনাজপুর কোতয়ালী থানার অফিসার্স ইনচার্জ রেদওয়ানুর রহিম জানান, সদর উপজেলার ১০নং কমলপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবরামপুর গ্রামের খতিবউদ্দিন গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তার মানসিকভাবে অসুস্থ পুত্র পুলিশ কনষ্টেবল সোহেল রানার লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হয়। আহত বাবাকে তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ বুধবার বেলা ১১টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

পুলিশের সূত্রটি জানায়, নীলফামারী সদর থানায় কর্মরত পুলিশ কনষ্টেবল সোহেল রানা গত ১ বছর পূর্বে ঢাকায় বদলি হলেও মানসিক অসুস্থতার কারণে ঢাকায় কর্মস্থলে যোগদান না করে দিনাজপুর সদর উপজেলার বাড়ীতে থাকতেন।

গত কয়েকদিন পূর্বে চিকিৎসার জন্য বাবা-মা তাকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে ফিরে বাবার সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে বাবার ঘাড়ে উপযুপরি আঘাত করলে বাবা গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় বাবা খতিবউদ্দিনকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

আজ বুধবার দুপুর ২টায় নিহত খতিবউদ্দিনের স্ত্রী রাশেদা বেগম বাদী হয়ে পুত্র সোহেল রানা (৩০) এর বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আজ বুধবার বিকেল ৪টায় পুলিশ তাদের বাড়ী থেকে ঘাতক পুত্র সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। বিকেল সাড়ে ৫টায় দিনাজপুর সদর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিচারক সন্ধ্যায় তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য