সোমবার সকাল থেকেই অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ইসরাইলি সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় জড়ো হয়েছে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারী। এই প্রচেষ্টায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আহত হয়েছেন ২০ ফিলিস্তিনি।

উল্লেখ্য, আজ ভূমি দিবস উপলক্ষে বিক্ষোভে করাসহ ইসরাইলের তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েও বিক্ষোভ করার কথা রয়েছে ফিলিস্তিনিদের। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।

খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনি ভূমি দিবস বা নাকাবা উপলক্ষে ৩০শে মার্চ থেকে কয়েক সপ্তাহব্যাপী বিক্ষোভে নেমেছে ফিলিস্তিনিরা। গ্রেট মার্চ অফ রিটার্ন নামের এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। সোমবারও ইসরাইলে নিজেদের পিতৃপুরুষের ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছে ফিলিস্তিনিরা। এই বিক্ষোভের পাশাপাশি জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর উপলক্ষেও বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভে ইসরাইলি বাহিনীর উন্মুক্তভাবে চালানো গুলিতে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি। মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয় পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ ও হেব্রন শহর থেকে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গ্রেট মার্চ অফ রিটার্নের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি। বিক্ষোভের আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা এই বিক্ষোভে এক লাখ বিক্ষোভকারীর অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছেন।

বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলের সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন। আয়োজকরা জনগণকে বিক্ষোভে অংশ নেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে একটি লিফলেট বিতরণ করেছেন। তাতে লেখা, গ্রেট মার্চ অফ রিটার্নের জাতীয় কমিটি আপনাকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নিয়ে ১০ লাখ মানুষের ফেরত যাওয়া নিশ্চিত করতে ও অবরোধ ভেঙ্গে ফেলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে।

ইসরাইলি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, এই বিক্ষোভের পেছনে হামাস জড়িত। তবে বিক্ষোভের আয়োজকরা এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার সকালে ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনিদের সীমান্ত থেকে দূরে থাকার জন্য সতর্ক করে লিফলেট বিতরণ করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য