ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সম্বনয় কমিটির ঘোষিত ১৯ দফা দাবী কাল রোববারে মধ্যে পুরন না হলে পরসু সোমবার থেকে অনিদিষ্টি কালের জন্য শ্রমিক ধর্মঘট ও অবরোধ কর্মসুটির অন্টিমেটোম দিয়েছে, বড়পুকুরিয়া খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রধান ফটকের সামনে সামনে সংবাদ সম্মেলন করে, শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ১৩ দফা ও খনির কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে, বড়পুকুরিয়া খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবীউল ইসলাম ও ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সম্বনয় কমিটির আহবায়ক মশিউর রহমান বুলবুর এই যৌথভাবে আন্দোলনের আণ্টিমেটাম ঘোষণা দেন।

আন্দোলনের আল্টিমেটাম ঘোষনার সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা ও পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উপদেষ্টা ও পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন।

খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মোঃ মশিউর রহমান বুলবুল তিনি তার বক্তব্যে বলেন, কয়লা খনি কর্তৃপক্ষকে বহুবার ৬দফা দাবি বাস্তবায়নে কয়েকবার লিখিতভাবে ও বৈঠককরে দাবি আদায়ের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু খনি কর্তৃপক্ষ বারবার তালবাহানা করে। ফলে আমাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, আগামি ১৩ই মে রোববার এর মধ্যে আমাদের দাবি মেনে না নিলে ১৪ই মে সোমবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসীর সমন্বয় কমিটি ও খনির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন যৌথভাবে আন্দোলনে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হবো।

তিনি আরো বলেন, খনি কর্তৃপক্ষ ৯ মাস সময় নিয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নেয়নি। আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। তাই আজ দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আন্দোলন ছাড়া দাবি আদায় কোন ভাবে সম্ভব নয়। এ সময় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সুফিয়ান, সাবেক সভাপতি মোঃ ওয়াজেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নূর ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লিটন হোসেন, ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির অন্যতম সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জাবেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম, খনি এলাকায় বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার হোসেন উপস্তিত ছিলেন।

এদিকে বড়পুকুরিয়া কোর মাইনিং কোম্পানী লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আন্দোলনকারী শ্রমিকেরা খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চিনা সিএমসি কোম্পানীর কর্মরত শ্রমিক, এর পরেও আমরা উভায়ের সাথে কথা বলে একটি মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করবো বলে তিনি আশ্বস দেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য