বর্তমানে শহরে সাঁতার জানা মানুষের সংখ্যা খুব কম। কিন্তু সাঁতারে আছে নানা স্বাস্থ্য সুফল। সাঁতার কাটতে গেলে শরীরের প্রায় সব কটি সন্ধি ও মাংসপেশির সুষম ব্যবহার হয়।

এটি পেশির দক্ষতা ও শক্তি বাড়ায়, সন্ধি ও লিগামেন্টের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে। আর্থ্রাইটিস ও স্পনডাইলাইটিসের রোগীদের জন্য সাঁতার একটি কার্যকরী ব্যায়াম।

বিশেষ করে অ্যাংকাইলোজিং স্পনডাইলাইটিস নামের মেরুদণ্ডের সমস্যা উত্তরণে সাঁতার রীতিমতো উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা ব্যবস্থা।

যারা হাঁটাহাঁটি করতে পারেন না, তাদের জন্য সাঁতার একটি বিকল্প ব্যবস্থা। ছয় সপ্তাহ নিয়মিত সাঁতার কাটলে ফুসফুসের আয়তন ও নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের দক্ষতা বাড়ে যা হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, এজন্য সাঁতারুর অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা কর্মহীন ব্যক্তির অর্ধেক।

সপ্তাহে আড়াই ঘণ্টাও যদি কেউ নিয়মিত সাঁতার কাটেন তবে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি অনেক কমে যায়। সাঁতারে প্রচুর ক্যালোরি ক্ষয় হয় যা ওজন হ্রাস করতে ভূমিকা রাখে।

এ ছাড়া সাঁতার মস্তিষ্কের হিপোক্যামপাস এলাকার স্নায়ু উজ্জীবিত করে, ফলে বিষণ্ণতা কাটাতে সাহায্য করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য