আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ আমাদের দেশে কখনো রাজনৈতিকভাবে, কখনো ব্যবসায়িক আবার কখনো ধর্মীয় স্পর্শকাতরতার অজুহাতে গণমাধ্যমের স্বাধীন মত প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। এছাড়া বিশ্বের অধিকাংশ দেশে আইনগতভাবে মুক্ত গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও বাস্তবে তার উপস্থিতি একেবারে নেই বলরেই চলে।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলি ও টেলিভিশন মাধ্যমের ব্যাপক প্রসারে সাংবাদিকতার ধারা অনেকটা পাল্টে গেছে। কিন্তু এ দুটি মাধ্যম আবার অনেকটা মতামতধর্মী। আর সেই ধারাটিই এখন প্রকৃত সাংবাদিকতার ওপর জেকে বসেছে, যার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা।

যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে নিজেদের মতামত প্রচারের ক্ষমতা দিলেও প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকতা নগর কেন্দ্রিকতা থেকে বের হতে পারেনি আজও আর তাই বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মতামত গণমাধ্যমে যথাযথভাবে উঠে আসছে না এখন।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে বিশ^ মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গাইবান্ধা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক, সদস্য সচিব, সদস্য ও মফস্বল সাংবাদিকরা এই অভিমত তুলে ধরেন।

মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে ২ নং রেল গেট অস্থায়ী কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যম নিয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন মফস্বল সাংবাদিক নেতারা।

বাংলাদেশ মফেস্বল সাংবাদিক ফোরাম গাইবান্ধা জেলার সদস্য সচিব জাভেদ হোসেনের সঞ্চালনায় এ আলোচনায় সমাপনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গাইবান্ধা জেলার যুগ্ম আহবায়ক মো. খালেদ হোসেন ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম, সদস্য মাহাবুবর রহমান, রবিন সেন, সুমন মিয়া, তপন চন্দ্র দাস, আলাল আহম্মেদ, সাইফুল ইসলাম, রেজাইল মিয়া, শহিদুল ইসলাম, সহ মফেস্বল সাংবাদিকের বিভিন্ন থানার জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মীরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য