বিরলের শালবনের পাশ্ববর্তী ভূট্টাক্ষেতে এক নাবালিকা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনায় স্থানীয় জনতা ধর্ষককে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে সোপর্দ করেছে।

জানা গেছে, উপজেলার ধর্মপুর ইউপি’র ঐতিহ্যবাহী কালিয়াগঞ্জ শালবনে বন্ধুর সাথে বেড়াতে এসে ঐ এলাকার এক লম্পটের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয় উপজেলার ফরক্কাবাদ ইউপি’র দামাইল গ্রামের ৭ম শ্রেণি পড়–য়া এক নাবালিকা কন্যা। ঐ নাবালিকা কন্যা উপজেলার ৫ নং বিরল ইউপি’র সাবইল গ্রামের আহসান আলীর পুত্র ইমরান (২২) এর সাথে শালবন দেখতে এসেছিল।

শালবনে ঘুরাঘুরির ফাঁকে ধর্মপুর নয়াপাড়ার সফির মোহাম্মদের লম্পট পুত্র ধর্ষক বাবুল (৪০) ঐ নাবালিকা কন্যাকে আটক করে তাঁর বন্ধুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। বন্ধু ইমরান প্রতিবাদ করতে চাইলে তাকে অনৈতিক সম্পর্কের বেড়াজালে ফাঁসিয়ে স্থানীয় লোকজনের দ্বারা গণপিটুনির ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জীবনে বাঁচতে চাইলে পালাবার জন্য বলে।

এ সময় ইমরান জীবন বাঁচাতে শালবন থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেতে স্থানীয় যুবক হেলাল, সাগর, রাসেল, গোলাপ, মোমিনুল, সানোয়ারকে সাথে নিয়ে পূণরায় সঙ্গীয় বান্ধবীকে শালবনে খুঁজতে গিয়ে শালবনে তাঁকে না পেয়ে পার্শ্ববর্তী ভূট্টাক্ষেতে লম্পট বাবুলকেসহ দেখকে পেয়ে আটক করে। স্থানীয় জনতা ধর্ষণের লোমহর্ষক কাহীনি শুনে স্থানীয় ইউপি’র চেয়ারম্যানের নিকট বিকালে ধর্ষক বাবুলসহ ভিকটিমকে সোপর্দ করে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের পরিবারকে সংবাদ দেয়া হয়েছে। অভিভাবক আসলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁদেরকে থানায় প্রেরণ করা হবে। সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত তাঁদেরকে থানায় সোপর্দের প্রস্তুতি চলছিল। ধর্ষিতাসহ উপস্থিত জনতা ধর্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য