নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদদাতাঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে মাছ চাষ উৎপাদন করে উপজেলার শতাধিক নারী পুরুষ স্বাবলম্বী হয়েছেন। যারা এক সময় পুঁজি আর কর্মসংস্থানের অভাবে বেকার জীবনযাপন করত।

সেই সমস্ত যুবকেরা প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষ করে এখন বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন। উপজেলার ৯নং কুশদহ ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্রামের মো. জামিনুর ইসলাম বাড়ি সংলগ্ন মজাপুকুর, খাল, বিল, ডোবায় মাছ চাষ করে উত্তর জনপদে মাছ চাষে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।

এছাড়াও উপজেলার ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের রাশেদ বিপ্লব, খটখটিয়া কৃষ্ণপুর গ্রামের নারী মাছ চাষী জয়নব বেগম, দাউদপুর ইউনিয়নের হালুয়াঘাট গ্রামের হযরত আলী, দাউদপুরের আব্দুল মতিন, ভাদুরিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম সহ শতাধিক নারী পুরুষ এখন মাছ চাষ করে জিরো থেকে হিরো হয়েছেন।

মাছ চাষ সম্প্রসারণ উপলক্ষ্যে ২৫ এপ্রিল উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) এর আওতায় বাস্তবায়িত ফলাফল প্রদর্শনী কার্যক্রমের আওতায় মাঠ দিবস কুশদহ ইউনিয়নের স্নেহা শেফা মৎস্য হ্যাচারী মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিবিজ কার্প মিশ্র চাষ প্রদর্শনীর আওতায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামীমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাসির উদ্দিন, দিনাজপুর ৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী মো. আজিজুল হক, স্নেহা শেফা মৎস্য হ্যাচারীর স্বত্ত্বাধিকারী মো. জামিনুর ইসলাম, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম রুহুল আমিন প্রধান, মাছ চাষী রাশেদ বিপ্লব প্রমুখ।

এছাড়াও মৎস্য অফিসের আয়োজনে চিংড়ি চাষ প্রকল্পের অধীনে উপজেলা সীতারকোট এলাকায় দুদিন ব্যাপী মৎস্য চাষী প্রশিক্ষণ হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য