দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নবরূপীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে নবরূপী মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নৃত্য, কবিতা পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দিনব্যাপী দিনাজপুর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নবরূপীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নৃত্য, কবিতা পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে আজ রোববার বিকেল ৪টায় নবরূপীর হল রুমে সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সামাদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি পদক প্রাপ্ত নাট্যজন ব্যক্তিত্ব কাজী বোরহান।

প্রধান বক্তার আলোচনা করেন দিনাজপুর হাবিপ্রবির সাবেক ভিসি প্রফেসর মোঃ রুহুল আমিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নবরূপীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আহবায়ক রনজিৎ কুমার সিংহ, নবরূপীর সঙ্গীত সম্পাদক একেএম মেহেরুল্লাহ বাদল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী বোরহান বলেন, অসাম্প্রদায়ীক সোনার বাংলা গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বঙ্গালী সংস্কৃতিকর একটি ঐতিহ্য। বাঙ্গালীর চিরাচরিত সংস্কৃতিক মৌলবাদীরা ধ্বংস করতে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের অপপ্রচারে বাঙ্গালী সংস্কৃতিক থেকে যেতে পারে না। বাঙ্গালীদের সংস্কৃতি লালনে নতুন প্রজন্মকে সঠিক দীক্ষায় পরিচালিত করতো পারলে এ সংস্কৃতিক আরও বেগবান করা যাবে।

প্রধান বক্তা হাবিপ্রবির সাবেক ভিসি প্রফেসর মোঃ রুহুল আমিন বলেন, বাঙ্গালীর লোক সংস্কৃতি ধরে রাখতে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আমাদের সমাজে যথেষ্ট অবদান রাখবে। আমাদের জাতীয় উৎসব এবং বাঙ্গালীর ঐতিহ্যের উৎসব হলো নববর্ষ। তা আমাদের ধরে রাখতে হবে। বাঙ্গালীর দেশপ্রেম জাগ্রত করতে বাংলার উৎসবগুলোতে আমাদের প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সালাম বলেন, নবরূপী অসাম্প্রদায়ীক বাংলাদেশ গড়তে বিভিন্ন প্রকার সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের তরুন প্রজন্মদের সাংস্কৃতিক চর্চায় ধরে রাখতে হলে এ ধরনের উৎসবগুলো প্রতিনিয়ত করা দরকার। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন শিউ ও চন্দন।

আলোচনা সভা শেষে সন্ধ্যায় নবরূপীর শিল্পীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য