সিরিয়ার ওপর সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আমেরিকা ও তার মিত্ররা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। জার্মান সংসদের চরম বামপন্থি দলের এক প্রশ্নের জবাবে নিম্নকক্ষ বান্ডেসট্যাগের বিশেষজ্ঞরা এ মত ব্যক্ত করেছেন।

এ সময় তারা ১৯৭০ সালের জাতিসংঘ ঘোষণা তুলে ধরেন। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে- “যেকোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে সামরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং অন্য যেকোনোভাবে সংঘাত সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকা অন্য রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্ব।”

এছাড়া, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে কারণ তা জাতিসংঘের নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

জার্মান বিশেষজ্ঞরা আরো বলেছেন, যেকথা বলে ব্রিটেন মার্কিন নেতৃত্বাধীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অংশ নিয়েছে তা যৌক্তিক নয়।

গত ১৪ এপ্রিল আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হামলার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, সিরিয়ার জনগণের আরো ভোগান্তি থেকে রক্ষার জন্য তারা এই হামলায় অংশ নিয়েছেন। এতে ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থ ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

আর আমেরিকা তার ভাষায় বলেছে, সিরিয়ার দুমা শহরে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, দেশটির সরকার যাতে এমন হামলা আর না করতে পারে সেজন্য তারা সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সিরিয়া ও রাশিয়া পশ্চিমা এসব বক্তব্য চরমভাবে নাকচ করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য