দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরুজুল ইসলাম বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শে আদর্শিত হয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের একজন ভালো মানুষ হতে হবে। সেই সাথে মাদক, জঙ্গীবাদ ও বাল্যবিবাহকে “না” বলতে শিখতে হবে।

তিনি ঐতিহ্যবাহী দিনাজপুরের পুরনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, অতীতে প্রশাসন যেভাবে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে সহযোগিতা করেছে, আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে।

১০ এপ্রিল মঙ্গলবার শহরের রাজবাঢীস্থ নিজস্ব ক্যাম্পাসে জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অত্র প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কেবিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীরমুক্তিযোদ্ধা সাইফুদ্দিন আখতার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি এর সহযোগিতায় সদরের প্রতিটি বিদ্যালয়ের মতো জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়েরও অনেক উন্নয়ন হয়েছে। যা আগামীতে উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যত কর্ণধার। আর তাদের মাদক হতে দুরে রাখার দায়িত্ব শুধু শিক্ষকদের নয়, অভিভাবকদেরও। তাদের বেশি করে খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে।

জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. আকরাম হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আরও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফুল হক প্রধান, সরকারি শিশু পরিবার’র উপ-তত্ত্বাবধায়ক মাহমুদা নুসরাত জাহান। এরআগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুনু বিশ্বাস।

বক্তব্যশেষে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময় শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আসগার আলী, মো. রফিকুল ইসলাম ও মিহির ঘোষ কে সন্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়াও ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্স স্কাউট এ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী শিক্ষার্থী মোছা. নুরজাহান বেগম, জাতীয় পর্যায়ে ভারোত্তলন প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত হামিশা পারভীন এবং কুস্তি প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ পদকপ্রাপ্ত প্রীতি রানী দাসকে ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা জানানো হয়। সেইসাথে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অতিথিবৃন্দসহ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মুগ্ধ করে তোলে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য