দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আব্দুলপুর ইউনিয়নে বায়রা লাইফ ইনন্সুরেন্স কোং লিঃ এর বিরুদ্ধে বীমাকৃতদের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

গত ০১ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর বীমাকৃত ব্যাক্তিদের লিখিত অভিযোগের সুত্রে জানা গেছে, আব্দুলপুর ইউনিয়নের চেীধুরীপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা ও নান্দেড়াই আব্দুলপুর মোহছেনা চৌধুরী দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ মামুনুর রশিদ মানিক ও তার স্ত্রী মোছাঃ মাহফুজা আক্তার উক্ত কোম্পানীর নামে টাকা উত্তোলন করতেন।

উক্ত ইনন্সুরেন্স কোং লিঃ এর প্রধান কার্যালয় মাহতাব সেন্টার(১০ তলা) ১৭৭, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মরনী, বিজয়নগর, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ, নিবন্ধন নং- সি-৪০১৩৯ (২১০৭) ২০০০ এর সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের আসলসহ লভ্যাংশের লোভ দেখিয়ে টাকা নেয়া হত।

জীবনবীমার ১০ বছর মেয়াদ শেষে জমাকৃত টাকা ও টাকার মুনাফা ফেরত দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও টাকা ফেরত পায়নি বীমাকৃত ব্যাক্তিরা। জমাকৃত পুরুষ মহিলারা হলেন জরিনা বেগম, খতেজা বেগম, রোজিফা বেগম, আবু সাঈদ, রহিমা বেগম, নার্গিজ বেগম, নুরজাহান বেগম, ফরিদা বেগম, মাসুমা পারভীনসহ অনেকে।

ক্ষতিগ্রস্থ জরিনা বেগম, খতেজা বেগম, রোজিফা বেগমসহ অনেকেই জানান, আমরা অনেক কষ্ট করে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নিয়মিত মাসিক জমা করে এসেছি। আমাদের একেক জনের আসল ৬০ হাজার টাকা করে জমা করা হয়েছে। মানিক স্থানীয় ও হুজুর হওয়ায় আমরা বিশ্বাস করে তাকে টাকা দিয়েছি। কোম্পানীর নিয়ম মোতাবেক মেয়াদ ১০বছর উর্ত্তীন হলে সেই টাকার লভ্যাংশসহ আসল টাকা ফেরত পাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ২ বছর ধরে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সময় কাটাছেন মোঃ মামুনুর রশিদ মানিক ও তার স্ত্রী মোছাঃ মাহফুজা আক্তার। বিভিন্ন গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অন্তত দুই শতাধিক পুরুষ মহিলা উক্ত বীমা কোম্পানীতে টাকা জমা করে ইন্সুরেন্স করেছেন।

এ ব্যাপারে মোঃ মামুনুর রশিদ মানিক এর মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান বীমাকৃত ব্যাক্তিদের টাকা ফেরত দেওয়ার কিছু নিয়ম আছে, সেই নিয়ম মোতাবেক টাকা ফেরত দেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম রব্বানী জানান, তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য