বহিষ্কার করা যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ কূটনীতিকের প্রথম দলটি বৃহস্পতিবার রাশিয়ার ওয়াশিংটন দূতাবাস ছেড়ে চলে গেছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের মস্কোর মার্কিন দূতাবাস ছেড়ে যাওয়ার খবর দিয়েছে।

মার্কিন কূটনীতিকদের রাশিয়া ত্যাগে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে মস্কো। প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে রুশ বার্তা সংস্থা তাস-এর প্রতিবেদনেও মার্কিন কূটনীতিকদের দূতাবাস ছাড়ার খরটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

যু্ক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো থেকে রুশ কূটনীতিকদের বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই ৬০ মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় রাশিয়া। একইসঙ্গে দেশটির সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন কনসুলেট বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

এএফপির খবরে বলা হয়, অনেক মার্কিন কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা তিনটি বাস ও একটি মিনিবাসে করে দূতাবাস ত্যাগ করে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। রুশ বার্তা সংস্থা তাস-এর বৃহস্পতিবারের খবরে বলা হয়, ভোর চারটায় সময় ওই কূটনীতিকদের জন্য কয়েকটি যানবাহন দূতাবাসস্থলে এসে পৌঁছায়। সকাল সাতটায় কূটনীতিকদের একাংশকে নিয়ে সেগুলো দূতাবাস ছেড়ে যায়।

যুক্তরাজ্যে এক সাবেক রুশ গুপ্তচর ও তার মেয়ের ওপর রাসায়নিক হামলার ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করে আসছে পশ্চিমা বিশ্ব। রাশিয়া উল্টো দাবি করেছে, রাশিয়াবিরোধী উত্তেজনা উস্কে দিতে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাই ওই হামলা করেছে। ক্রেমলিন অভিযোগ অস্বীকার করে আসলেও তা নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যুক্তরাজ্য ওই রাসায়নিক হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি ইইউভুক্ত দেশগুলোর প্রতি রাশিয়ার কূটনীতিকদের বহিষ্কারের আহ্বান জানায়। এতে সাড়া দিয়ে ইইউভুক্ত কয়েকটি দেশের সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও রুশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়াও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় কূটনীতিক বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য