মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে দেখছেন, সেখানে সরকারি কর্মকর্তাদের বেলায় উল্টো।

বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র দেখিয়েও মুক্তিযোদ্ধা কেবিন পাননি জয়নব বানু। সনদপত্র থাকলেও লাগবে কমান্ডারের অর্ডার। এ কেমন নিয়ম? খুবই অবাক হয়েছি।

যদিও এর আগে এ অবস্থায় পড়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালের একজন ডাক্তার সংবাদকর্মী- আব্দুলা আল মামুনকে বলেছিল “খুব বড় সাংবাদিক হয়েছিস, দেখা করিস আমার”।

উপজেলার ভানোর গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: সাত্তারের স্ত্রী এক প্রতিবেশীর মারপিটে আহত হয়ে বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়েছে। তার কেউ নেই। সাংবাদকর্মী মামুনকে নিজের ছেলের মত ভালবাসে। মায়ের সেই ভালবাসা ও পেশাগত টানে গিয়েছিলেন রাত ১২ টার সময় হাসপাতালে।

ভর্তি হবার পর আর কোন ডাক্তার খোজ খবর নেয়নি। অথচ নিয়মিত ডাক্তার রোগীদের পরিদর্শন।করছেন এমনটা দেখিয়ে সরকারী বেতন ঠিকই তুলে খাচ্ছে।

মুক্তিযোদ্ধা কেবিনে না পেয়ে দায়িত্বে থাকা নার্সকে রোগীর কথা জিঞ্জাসা সংবাদকর্মী মামুনকে তিনি চমৎকার করে উত্তর দিলেন উনিতো চলে গেছেন। বহুবার খুজেছি পাইনি। অথচ আমি ঠিকই খুজে পেলাম তাকে।

হাসপাতালের সামনে এর আগে বড় করে একটি ব্যানার দেখেছিলাম, আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিমুক্ত।

আমি বুঝতে পারছিনা কোনটা নীতি আর কোনটা দুর্নীতি।

বালিয়াডাঙ্গী থানায় নতুন ওসি এসেছেন। উনার কাছে গেছিলেন। কোন গুরুত্ব দেন নি তিনি। এর আগের ওসি এমনি একটি বিষয়ের মীমাংসা করেছিলেন জয়নবকে কমিউনিটি পুলিশের সদস্য বানিয়ে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য