রণবীর কাপুরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা কথা হামেশাই বিটাউনে উড়ে থাকে। সোনম কাপুর, দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফসহ একাধিক বলিউড সুন্দরী তাঁর জীবনে এসেছেন, আবার চলেও গেছেন। কখনো শোনা গেছে, বলিউডের এই সুদর্শন অবিবাহিত নায়কের জন্য মা নীতু সিং পাত্রী খুঁজছেন। এমনকি আরও শোনা গিয়েছিল, রণবীরকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর মা লন্ডনে পাত্রী দেখতে গেছেন। আর বলিউডের এই তারকা নাকি মায়ের পছন্দ করা পাত্রীকেই বিয়ে করবেন।

তবে বলিউডের এই নায়কের জীবনে এক রহস্যময়ী নারী আছেন, যাঁর সঙ্গে মাঝে মাঝে অভিসারে যান রণবীর। অনেকের মতে, সেই রহস্যময়ী নারী হলেন পাকিস্তানের অভিনেত্রী মাহিরা খান। শাহরুখ খানের ‘রইস’ ছবির নায়িকা ছিলেন তিনি। একাধিকবার একসঙ্গে দেখা গেছে রণবীর আর মাহিরাকে। এমনকি রণবীরের এক বন্ধুর সূত্রে জানা গেছে, রণবীরের মুঠোফোনের স্ক্রিনে একসময় মাহিরার ছবি ছিল। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নাকি তাঁদের সম্পর্কের ইতি হয়েছিল বলে শোনা গিয়েছিল। তবে সম্প্রতি একটি ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে, রণবীর আর মাহিরার বিশেষ সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি। বরং ক্রমে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। বিটাউনে জোর গুঞ্জন, সম্প্রতি রণবীর তাঁর বিশেষ বান্ধবীর সঙ্গে লন্ডনে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

বুলগেরিয়াতে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির প্রথম পর্যায়ের শুটিং শেষ হওয়ার পর নায়িকা আলিয়া ভাট আর পরিচালক অয়ন মুখার্জি ভারতে ফিরে আসেন। কিন্তু রণবীর দেশে ফেরেননি। চুপিচুপি লন্ডনে যান। তবে রণবীরের এই লন্ডন অভিযানের পেছনে এক গভীর রহস্য লুকিয়ে ছিল বলে জানা গেছে।

শোনা গেছে, বলিউড এই তারকার বিশেষ বান্ধবী মাহিরা খান তখন লন্ডনে ছিলেন। ওখানে এই পাকিস্তানি অভিনেত্রী তাঁর বিতর্কিত ছবি ‘ওয়ার্না’র প্রচারণার জন্য গিয়েছিলেন। রণবীর এবং মাহিরা চুপি চুপি লন্ডনে একসঙ্গে সময় কাটান। এই ঘটনা প্রমাণ করছে, রণবীরের জীবনে এখনো এই সুন্দরী বিশেষ স্থানে আছেন। কিছুদিন এই তারকা যুগল একান্তে সময় কাটানোর পর মাহিরা পাকিস্তানে উড়ে যান।

তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রণবীর লন্ডনেই আছেন। সেখানে তিনি আগামী ছবি ‘ব্রহ্মাস্ত্র’র জন্য মার্শাল আর্ট, বর্মাকলাইসহ নানা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। কিছুদিন আগে নিউইয়র্কে রণবীর আর মাহিরার একসঙ্গে সময় কাটানোর ছবি ভাইরাল হয়েছিল। এই ছবিতে তাঁদের একসঙ্গে ধূমপান করতে দেখা যায়। এক সাক্ষাৎকারে মাহিরা বলেন, তাঁর সঙ্গে রণবীরের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের এই অভিনেত্রী বিবাহিত ছিলেন। আর মাহিরাকে তাঁর স্বামী তালাক দিয়েছিলেন। তাঁদের একটা পুত্রসন্তান আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য