দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ-২০১৮ ও ক্ষুদে ডাক্তার কর্তৃক শিক্ষার্থী স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২ এপ্রিল হতে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশের ন্যায় দিনাজপুর জেলায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ পালন করা হবে।

সোমবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সদর উপজেলার করিমুল্যাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাইয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মওলা বকস চৌধুরী।

এ সময় দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলাওল হাদী, করিমুল্যাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সামিনুর ইসলাম, করিমুল্যাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক মো. আজাদ আলী, করিমুল্যাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানমসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ উপলক্ষে দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলার কেজি স্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসাসহ ৫ হাজার ২৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ হতে ১৬ বছর বয়সী ৮ লাখ ২৬ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থীকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে।

এদিকে সোমবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে (বাংলা স্কুল) একটি শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাইয়ে পৌর এলাকায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

এ সময় পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী আকবর হোসেন অরেঞ্জ, পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রায়হান সাঈদ, দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের (বাংলা স্কুল) সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. দেলওয়ার হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক মো. শাহ আলম, মো. রিয়াজুল ইসলাম, পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলী, সুপারভাইজার মোমরেজ সুলতানা মালাসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী এবং পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো কর্মসূচীর অংশ হিসেবে দিনাজপুর পৌর এলাকার কেজি স্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসাসহ ১৪৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ হতে ১৬ বছর বয়সী ৪৮ হাজার ৭৭৪ জন শিক্ষার্থীকে এই কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য