ভারতে তফসিলি জাতি-উপজাতি সংরক্ষণ আইন শিথিল করার প্রতিবাদে দলিতদের ডাকা বনধ এর কারণে উত্তাল হয়ে উঠেছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, ওড়িশার মতো রাজ্যগুলো। এর মধ্যে, মধ্যপ্রদেশে অবরোধ ও সংঘর্ষে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, সোমবার সকাল থেকেই বনধ সফল করতে রাস্তায় নামে দলিত সংগঠনগুলো। ওড়িশার সম্বলপুরে দলিতদের একটি সংগঠনের রেল অবরোধে‌ নাস্তানাবুদ হতে হয় যাত্রীদের। রেল অবরোধের খবর এসেছে বিহার থেকেও।

সড়ক অবরোধের জেরে থমকে গেছে উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকটা জায়গার যান চলাচল। সেখানে বেশ কয়েকটা গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। থেমে আছে পঞ্জাবের স্বাভাবিক জনজীবন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সোমবার পঞ্জাবের সমস্ত স্কুল কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে সেই রাজ্যে সিবিএসই’র দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষা।

গত ২০ মার্চের রায়ে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট জানায়, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের উপর অত্যাচার বন্ধের যে আইন রয়েছে, তা সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নিয়োগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এই আইনে কোনো সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করা যাবে না বলেও জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।

এরই প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সেবা দল, ন্যাশনাল দলিত মুভমেন্ট পর জাস্টিস, সিআইটিইউ, ভারিপ বহুজন মাহাসংঘের মতো বেশ কয়েকটা সংগঠন। তাদের দাবি, ‘সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ দলিতদের স্বার্থের পরিপন্থী।’ টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য