জম্মু-কাশ্মিরে সোপিয়ান ও অনন্তনাগের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে পৌঁছেছে। গতকাল (রোববার) নিরাপত্তা বাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে পৃথক ৩ স্থানে বন্দুক যুদ্ধে ১৩ গেরিলা, ৪ বেসামরিক ব্যক্তি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ৩ সদস্য নিহত হয়েছেন।

এছাড়া বিভন্নস্থানে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০০ বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতেদের মধ্যে প্রচুর মানুষ বুলেট বিদ্ধ ও পেলেটগানের ছররা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

কাশ্মিরে বেসামরিক ব্যক্তিদের হতাহতের প্রতিবাদে আজ (সোমবার) সাইয়্যেদ আলীশাহ গিলানী, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক এবং মুহাম্মদ ইয়াসীন মালিকের সমন্বিত যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্বের আহ্বানে সর্বাত্মক বনধ পালিত হয়েছে।

বনধের ফলে সেখানকার দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি নির্দেশে আজ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ সেখানকার সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকের নির্ধারিত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

শ্রীনগর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খানইয়ার, রায়নাওয়াড়ি, নৌহাট্টা, সাফাকদল, এম আর গঞ্জ, মৈসুমা ও ক্রালখুদ থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা অনুসারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, যেকোনো অবাঞ্ছিত ঘটনা প্রতিরোধ করতে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আজ (সোমবার) সকালে জম্মু-কাশ্মির পুলিশের পক্ষ থেকে জে কে এল এফ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াসীন মালিককে আটক করা হয়েছে। সংগঠনটির এক মুখপাত্র বলেন, আজ ভোরে প্রচুর পুলিশ ইয়াসীন মালিকের মৈসুমাস্থিত বাসায় এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য