ভারতের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাওবাদী চার নারীকে হত্যার দাবির কথা জানিয়েছে উড়িষ্যার পুলিশ। কর্মকর্তাদের মতে, রবিবার রাতে কোরাতপুর জেলার নারায়ণপাটনাকে এই গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। দুই দিনের ভেতরে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এটি দ্বিতীয় সফল অভিযান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস’র খবরে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেলার ডকরি ঘাট এলাকায় অভিযান চালায় মাওবাদবিরোধী বিশেষ অভিযান গোষ্ঠী ও জেলার স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে অন্ধ্র-উড়িষ্যা সীমান্ত বিশেষ আঞ্চলিক কমিটি সেখানে বিশেষ মাওবাদী ক্যাম্প পরিচালনা করছে। অভিযানে গেলে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলিবিনিময় শুরু হয়।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (মাওবাদবিরোধী অভিযান) আরপি কোচে জানান, ক্যাম্পে থাকা মাওবাদীরা কয়েকঘণ্টার গুলিবিনিময় শেষে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তল্লাশি অভিযানের সময় আমরা চারটি লাশ ও বেশ কিছু গোলাবারুদ পেয়েছি। নিহত সবাই মাওবাদী নারী ও ক্যাডার। তাদের এখনও শনাক্ত করা হয়নি। তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে।

এই কর্মকর্তা জানান, মাওবাদীদের উর্দি পরা অপর এক নারীর লাশ পাওয়া গেছে ঘটনাস্থলে।

এই ঘটনার দুইদিন আগে মালকানগিরি জেলার তুলসিদনগার বনে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাওবাদীদের এক আঞ্চলিক কমিটির নেতা নিহত হওয়ার দাবি করেছিল পুলিশ।

নারায়ণপাটনা ২০০৯-১০ সালে মাওবাদীদের কার্যক্রম জোরালো ছিল। ওই সময় মাওবাদীদের ফ্রন্ট সংগঠন চাষী মুলিয়া আদিবাসী সংঘ এখানে উড়িষ্যার লালগড় গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল। ২০১৬ সালে নিরাপত্তাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাওবাদীদের কার্যক্রম সেখানে সীমিত হয়ে পড়ে। ২০১৬ সালের অক্টোবরে বন্দুকযুদ্ধে ৩০জন মাওবাদীকে হত্যার দাবি করে কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য