দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরঃ গণহত্যা দিবস ২০১৮ ও কাল রাত্রি উদযাপন উপলক্ষে দিনাজপুর বড় ময়দান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দিনাজপুর জেলা শাখা মোমবাতী প্রজ্জ্বলন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।

আজ রোববার সন্ধ্যায় গণহত্যা দিবস ২০১৮ উপলক্ষে ও কাল রাত্রি উদযাপন উপলক্ষে দিনাজপুর বড় ময়দান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতী প্রজ্জ্বলন কর্মসূচীর পালন করে হয়।

মহিলা পরিষদ দিনাজপুরঃ গণহত্যা দিবস ২০১৮ ও কাল রাত্রি উদযাপন উপলক্ষে দিনাজপুর বড় ময়দান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখা মোমবাতী প্রজ্জ্বলন কর্মসূচীর পালন করে। ২৫ মার্চ রোববার সন্ধ্যায় গণহত্যা দিবস ২০১৮ উপলক্ষে ও কাল রাত্রি উদযাপন উপলক্ষে দিনাজপুর বড় ময়দান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখা মোমবাতী প্রজ্জ্বলন কর্মসূচীর পালন করে। এসম উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি কানিজ রহমান, সাধারণ সম্পাদক ড. মারুফা বেগম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারা সানুসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

হাবিপ্রবিঃ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ মার্চ ভয়াল গণহত্যার প্রতিবাদে ও শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনসহ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোববার ২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও কর্মচারিদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবন্ধন ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ডীন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন খান, হাবিপ্রবি শাখার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তফা তারেক চৌধুরী ও মমিনুল হক রাব্বী, কর্মচারীদের মধ্যে মো. আব্দুর রহিম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, রাতের আঁধারে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির উপর নির্মমভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র মানুষকে অকাতরে হত্যা করে। অগ্নি-সংযোগ, লুন্ঠন ও নিরাপরাধ মানুষ হত্যা করে এক বিভীষিকাময় পরিবেশ তৈরি করে। বক্তারা ২৫ মার্চের রাতে শহীদ সকলের আতœার চিরশান্তি কামনা করেন এবং একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে এই গণহত্যা দিবসটিকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি প্রাপ্তির দাবী জানান। এছাড়া, কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসে রাত ৯টায় এক মিনিট আলো নিভিয়ে ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত স্মরণ করা হবে।

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলাঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনার পর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রীতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের নিরীহ মানুষের উপর গণহত্যা শুরু করে। যার ফলশ্রুতিতে শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। স্বাধীনতার সেই লাল সবুজের পতাকা আজও খামচে ধরতে উন্মুখ হয়ে আছে হানাদার বাহিনীর এ দেশীয় দোসররা। জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিকামি মানুষ যেভাবে স্বাধীনতার লাল সূর্য্য ছিনিয়ে এনেছে সেভাবেই তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজাকার আলবদরদের এ দেশ থেকে বিতারিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে, ঠিক সেভাবেই আগামীতে বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাঁতারে পৌছে যাবে এটাই হোক এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার। রাত ৯টা ১ মিনিটে ৭১’র ২৫ মার্চ কালরাত্রীতে গণহত্যায় শহিদদের স্মরণে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্ত্বরে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভের সামনে দিনাজপুর জেলা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার উদ্যোগে নৌকা প্রতিকৃতির মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের প্রাক্কালে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আহাদ আলী উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান নভেল এর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন, মেলার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম লিটন, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোবারক হোসেন গিটার, জীবন হোটেলের সত্ত্বাধিকারী বাহাউদ্দীন মনু, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রদীপ ঘোষের সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জয়ন্ত ঘোষ, আবুল কালাম, রাফিত সিয়াম, প্রিন্স নওশাদ, রিয়াদ, নিরান, কুইন, স্বপন মৃধা, রুমা, রিয়া প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য