দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক, ক্যাব, স্কাউট লিডার ও জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নাহিদুল ইসলাম নাহিদ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহ্ গ্রেফতারকৃত এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের ইর্ন্টানি ডাঃ হাসান রাশেদ হোসাইনের রিমান্ড শুনানী রোববার ১ম শ্রেণীর আমলী আদালত দিনাজপুর-১ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আরিফুল ইসলাম এর আদালতে হবে।

এদিকে গ্রেফতারকৃত ডাঃ হাসান রাশেদ গ্রেফতার হওয়ার পরপরই বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হতে শুরু করেছে। নিহত নাহিদের বড় ভাই এর কন্যার গৃহশিক্ষক ডাঃ হাসান রাশেদ। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী নাহিদ নিহত হওয়ায় পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ডাঃ হাসান রাশেদ কয়েকবার মোবাইল ফোনে নাহিদের সাথে কথা বলেছেন এবং রাশেদই গুরুতর অবস্থায় নাহিদকে এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করান।

অথচ রাশেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী খাতায় নাহিদকে অজ্ঞাত দেখায় এবং নিজের নাম ঠিকানা গোপন করে।

দীর্ঘ দিন ধরে নিহত নাহিদের ভাতিজির গৃহশিক্ষক হওয়ার পরও হাসপাতালের জরুরী খাতায় ‘‘অজ্ঞাত’’, নিজের নাম, পরিচয়, ঠিকানা গোপন এবং মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে নাহিদের সাথে মোবাইলে কথাপোকথন এসব সূত্রকে মাথায় রেখে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এমনটাই বলছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি অপারেশন আরিফুল ইসলাম আরিফ।

তিনি বলেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের পিছনে অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে যা তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে এ ঘটনার সাথে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মাতলুবুল মামুন শিক্ষক হত্যার সাথে জড়িত ডাঃ রাশেদসহ সকলের বিচার ও ফাঁসি দাবি করে। একই দাবী মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী, স্কাউট, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ঐক্যজটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। গ্রেফতারকৃত ডাঃ রাশেদ সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানাধীন কালিয়াকৈর গ্রামের মোঃ আব্দুর রৌফ হোসাইনের পুত্র।

উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় দিনাজপুর ইন্সটিটিউটে শিক্ষক নাহিদকে হত্যা করা হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য