মোঃ শাহ্ আলম মন্ডল, বিরামপুর থেকেঃ গত ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচীতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংসদের প্রচ্ছন্ন মদদে তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগীদের দ্বারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্-কে অহেতুক অপমান-অপদস্ত ও মিথ্যা হয়রানীমূলক একাধিক মামলা দায়েরের প্রতিবাদে আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা কর্মসূচী বর্জন ঘোষণায় দিনাজপুরের বিরামপুরে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাগণ সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

২৩ মার্চ, শুক্রবার বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিরামপুর উপজেলা কমান্ড অফিসে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবু বক্কর ছিদ্দিক। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত বিজয় দিবসের কর্মসূচীতে সাবেক কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্ প্রদত্ত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে স্থানীয় সংসদ সদস্যের অসহযোগীতামূলক আচরণ, কর্মকান্ড ও ভূমিকার যৎসামান্য সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

এক পর্যায়ে সাংসদ সম্পর্কে ‘রাজাকারের বংশধর বিধায় তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা দিতে পারেন না‘ এমন বক্তব্য পেশ করেছিলেন। কিন্তু, এ বক্তব্য সম্পুর্ণরূপে বিকৃত ও রূপান্তর করে সাংসদ ও তাঁর অনুগত লোকজন সাবেক কমান্ডার ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের বিশাল ভাবমূর্তী ও মর্যাদাকে শুধু হেয়প্রতিপন্ন করেননি বরং মিথ্যা, অসত্য, বানোয়াট ও দূরভিসন্ধিমূলক কল্পকাহিনী উপস্থান পূর্বক একাধিক মামলা দায়ের করে চরমভাবে অপদস্ত ও অসম্মান করেছেন।

এই অসম্মানজনক ঘটনা প্রবাহের প্রতিবাদে ও সাবেক কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্ এর নামে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা কর্মসূচী বর্জন ঘোষণা করা হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয় এক সাংবাদিকের সংসদ কিভাবে রাজাকারের বংশধর প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্ জানান, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংসদের দাদা আবু হোসেন বিহারীর নেতৃত্বাধীন শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য