আব্দুল মান্নান, হাবিপ্রবি থেকেঃ দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ২১শে মার্চ বুধবার প্রথম বারের মত উদযাপিত হল বিশ্ব কবিতা দিবস ৷কবিতা দিবস উপলক্ষে সোস্যাল সাইন্স এ্যান্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় নব্য কবিদের স্বরচিত কবিতা নিয়ে কবি ও কবিতার মিলনমেলা৷

আয়োজনের পুরো অংশকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়  ৷প্রথম পর্বে সম্মানিত সভাপতি ও অতিথিবৃন্দের আসনগ্রহন ও ভাঁজপত্র উম্মোচন দ্বিতীয় পর্বে দেয়ালিকা উম্মোচন এবং শেষ পর্বে মুক্ত মঞ্চে  কবিতা আবৃত্তি৷

উক্ত অনুষ্ঠানে সোস্যাল সাইন্স এ্যান্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ নওশের ওয়ান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একই অনুষদের ডীন প্রফেসর ড.এ.টি.এম রেজাউল হক৷

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড.মোঃ তারিকুল ইসলাম, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান  মোঃ আব্দুর রশিদ (পলাশ)৷

ভাঁজপত্র ও দেয়ালিকা উম্মোচন শেষে আবু সালেহ’র সঞ্চালনায়, প্রধান অতিথির বক্তব্যে  ডীন এ.টি.এম রেজাউল হক বলেন,আজকের এই বিশ্ব কবিতা দিবসে এমন আয়োজনের মাধ্যমে মনের মধ্যে সুপ্ত থাকা প্রতিভা জাগ্রত হবে,সৃষ্টি হবে আরো নতুন কবি এবং বিকশিত হবে বাংলা সাহিত্যের ভান্ডার ৷

এব়পর চলে নব্য কবিদের কবিতা আবৃত্তি৷ কবিতায়  মুখরিত হয়ে ওঠে ওয়াজেদের ভবনের সম্মুখ অংশ৷শত শত দর্শকের মুখে ফুটে ওঠে  আনন্দের উচ্ছাস৷পরিনত হয় নতুন দিগন্তের সূচনা৷সবার করতালি যেন মাতিয়ে রাখে নব্য কবিদের এই আসরকে৷ কবিতা আবৃতিতে অংশকারী সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের লেভেল ১ সেমিস্টার ২ এর শফিউল আজম অপু নামের এক শিক্ষার্থী বলেন,আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি  সফিকুল ইসলাম সজল ভাইকে আমাদের অনুষদের পক্ষ হতে এমন সুন্দর একটি আয়োজনে  সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য ৷

এই কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে খুব গর্বিতবোধ করছি ৷

 

কবিতা শুনতে আসা সাদিয়া ইয়াসমিন পাপড়ী নামের এক শিক্ষার্থী উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, সত্যিই সুন্দর একটি দিন ৷

এই প্রথম হাবিপ্রবিতে এমন ব্যতিক্রমী একটি আয়োজনে অাসতে পেরে আমি আনন্দিত৷যুগ যুগ বেঁচে থাকুক বাংলা সাহিত্যের এই চর্চা এবং আগামীর কবিগণ৷সবার জন্য রইল আমার পক্ষ হতে শুভ কামনা ৷

উল্লেখ্য যে, উক্ত কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠানে ২০ জনের মতো অংশ গ্রহন করে ৷ তাদের মধ্যে ইংরেজী বিভাগে অধ্যয়নরত ভারতীয় আছনান মুশি নামেও এক শিক্ষার্থী অংশ নেয়  ৷

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য