দিনাজপুর সংবাদাতাঃ নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের অন্তর্গত দিঘিপাড়া কয়লা ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা জরিপ কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। তৈরী করছে রাস্তা। ভাড়া করে আসছে থাকার জন্য বাসা।

প্রকল্প পরিচালক জাফর সাদিক জানান দিঘিপাড়া কয়লা ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা জরিপ কাজ শুরু করা হয়েছে। এখানে কি আছে কি নাই, থাকলে কতটুকু আছে, সেটাকে তুলতে হলে কিভাবে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে ভাল ভাবে করা যাবে এসব বিষয় নিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।

জরিপ চলাকালীন সময়ে কয়লা ক্ষেত্র এলাকায় ৫০/৬০ টি স্থানে বোরিং করা হবে। সব কিছু জানার জন্যই এই সম্ভাবতা জরিপ।

জরিপ কাজ শুরু করায় এলাকার গ্রামগুলোসহ রাস্তার মোড়ে, হাট-বাজারের চা দোকানে কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। কেউ বলছে এলাকায় থাকা যাবে কি না। কেউ বলছে জমির মূল্য কি পরিমান দিবে এসব বিষয় নিয়ে।

উল্লেখ্য উক্ত কয়লা ক্ষেত্র থেকে কয়লার অনুসন্ধান ও কয়লা উত্তোলনের ব্যাপারে ২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) ও বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড(বিসিএমসিএল) এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সূত্র মতে দেশের অব্যাহত জ্বালানী চাহিদা মেটাতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দীঘিপাড়া কয়লা ক্ষেত্র উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছেন।

এই কয়লা ক্ষেত্রের উন্নয়ন করা হলে এখান থেকে বছরে ৪ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন সম্ভব হবে। যা দিয়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা যাবে।

সব বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের জ্বালানী বিভাগ দিঘীপাড়া কোল বেসিনের ২৪ বর্গ কি: মি: এলাকার মোট কয়লার পরিমান নির্ণয় এবং বেসিনের কেন্দ্রীয় অংশে (১০-১১ বর্গ কি:মি:) ভ’গর্ভস্থ পদ্ধতি ব্যবহার করে বছরে ৪ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন খনি উন্নয়নের জন্য বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষকে অনুসন্ধান ও সম্ভাবতা যাচাইয়ের অনুমোদন দেয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য