মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াও পদত্যাগ করছেন। আজ (বুধবার) তার কার্যালয় থেকে ফেসবুকে দেয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয় ৭১ বছর বয়সি থিন কিয়াও কর্তব্য এবং দায়িত্ব পালন থেকে বিশ্রাম নিতে চান। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার মাত্র দু’বছরের মাথায় সরে দাঁড়ালেন তিনি। স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হলেও তার হাতে কোনো ক্ষমতা ছিল না বললেই চলে। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিই কার্যত দেশটি পরিচালনা করছেন।

মিয়ানমারের কোনো নাগরিকের সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক বলে সেনাবাহিনীর আইন অনুযায়ী তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। কিন্তু ভিন্ন নামে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা নিজের হাতে রেখেছেন।

সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা থিন কিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন গণহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় যখন সু চি বিশ্বব্যাপী কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন তখন পদত্যাগ করলেন থিন কিয়াও।

মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রেসিডেন্টের শূন্য পদ পূরণ করতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য