আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের বারাজান গ্রামের কালীরকুড়া এলাকার একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি গতবছর বন্যায় বিলীন হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ৮টি গ্রামের গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ। বেশি দুর্ভোগে পড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। ব্রিজটি ঠিকই আছে, কিন্তু নেই পারাপারের সড়ক।

জানা গেছে, উপজেলার বারাজান গ্রামের ডোবা নদীর ওপর প্রায় ১৬ বছর আগে এ স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়। সাম্প্রতিক বন্যায় পানির তীব্র স্রোতে স্লুইস গেট সংলগ্ন সড়কটি ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে চলবলা মদনপুর, সোনারহাট, বান্দের কুড়া, দুহুলী, বারাজান ও সুকানদীঘি এলাকার প্রায় ৩০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

এ দিকে বারাজান এসসি উচ্চবিদ্যালয়, বারাজান নয়া মহাবিদ্যালয়, তেঁতুলিয়া দাখিল মাদরাসা, উত্তর বাংলা কলেজ, দুহুলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং অপর দিকে বান্দেরকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বান্দেরকুড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শতাধিক ছাত্রছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পাড়ি দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করছে।

এ ব্যাপারে ওই এলাকার আব্দুল সালাম , রেজাউল করিম শাহীন, রুবেল মিয়াসহ অনেকেই বলেন, আমাদের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম এ রাস্তাটি। এ রাস্তা দিয়ে কয়েক গ্রামের মানুষ শহরে প্রবেশ করেন। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই এর দ্রুত সমাধান করলে গ্রামের সাধারণ মানুষ এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী পারভেজ নেওয়াজ খান জানান, গত বন্যায় সড়কটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাজেটে পেলে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হবে।

চলবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করেন। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল হাটবাজারে নিয়ে যান। তাই দ্রুত সড়কটি সংস্কার প্রয়োজন। রাস্তা দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হলে এ দুর্ভোগের অবসান হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য