দিনাজপুর সংবাদাতাঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণটি একটি ঐতিহাসিক দলিল। এই ভাষণ তৎকালীন বাংলাদেশের সাড়ে ৭ কোটি মানুষকে উজ্জিবিত করেছিল। বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী এই ভাষণ বিশ্লেষণ করে ৪৬ বছর পর ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই পরাজিত শক্তি তা মেনে নিতে পারেনি, এখনও পারছে না।

৭৫’র পর তারা এ ভাষণ শোনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ অবস্থা দিনাজপুরেও বিদ্যমান ছিল। অসংখ্য হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। দিনাজপুর সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত তৎকালীন ছাত্র শহীদ অজয় হত্যাকান্ড তার অন্যতম দৃষ্টান্ত। আজকের শিশু-কিশোরদের এসব ইতিহাস জানতে হবে। কেন এই ভাষণ শোনা বন্ধ করা হয়েছিল? কেন বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বাঁচাতে আইন করার প্রয়োজন হয়েছিল? এসব জেনে এই চিহ্নিত অপশক্তির বিরূদ্ধে তথা দেশ বিরোধী শক্তির বিরূদ্ধে নিজেদের তৈরী করতে হবে।

সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর এই কালজয়ী ভাষণ ও তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। কারণ বঙ্গবন্ধুকে না জানলে সঠিক ইতিহাস জানা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জিবিত হয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সবাইকে কাজ করতে হবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ উপলক্ষে ১০ মার্চ শনিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে বিশাল শিশু সমাবেশ, নৃত্য ও কবিতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত বর্ণাঢ্য এসব আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক, মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশু সংগঠক মোঃ মনিরুজ্জামান জুয়েল, দিনাজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল।

দিনাজপুর জেলা বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার সহ-সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে ও শেখ সগীর আহমেদ কমলের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, জেলা বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম লিটন প্রমূখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য