মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতউইতে তিনটি বোমা বিস্ফোরণে অন্তত এক পুলিশ আহত হয়েছেন।

তারমধ্যে শনিবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে স্টেট গভার্নমেন্ট সেক্রেটারি থিন মাউং সউই বাড়ির পেছন দিকে প্রথম বোমাটি বিস্ফোরিত হয়।

স্থানীয় হাই কোর্ট প্রাঙ্গণের কাছে একটি এবং ভূমি রেকর্ড অফিসের কাছে আরও একটি বোমা ফাটে।

এ বিস্ফোরণের পেছনে কাদের হাত আছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। বিস্ফোরণের দায়ও এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।

পুলিশের মুখপাত্র কর্নেল মাইও থু সোয়ে রয়টার্সকে বলেন, “কারা এ বিস্ফোরণের পেছনে আছে তা আমরা অনুমান করতে পারছি। কিন্তু এ বিষয়ে কথা বলার সময় এখনও আসেনি। বিস্ফোরণ স্থল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সন্দেহভাজনদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে।”

পুলিশ নগরী থেকে আরও তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে বলেও জানান তিনি।

মাত্র তিন দিন আগে উত্তরপূর্বাঞ্চলের নগর লাশিওতে বোমা বিস্ফোরণে দুই ব্যাংককর্মী নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

গতবছর ২৫ অগাস্ট রাখাইনে ৩০টি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলার পর সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাওপোড়াওযের মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ মানুষ পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সেনাবাহিনীর চরম নিপীড়নের বর্ণনা দিয়েছেন। জাতিসংঘ ওই সেনাঅভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মিয়ানমারের মেজর জেনারেল মাউং মাউং সোয়েসহ ৫২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে গত ডিসেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য