আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট: অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাত ফেরিতে আসা মানুষের স্রোত এসে মিশেছে বইমেলা প্রাঙ্গণেও। বুধবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভাণ্ডার আর এম এম পি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৯ দিন ব্যাপি শুরু হওয়া এ বইমেলা উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে সকালেই খুলে দেওয়া হয় বইমেলার প্রবেশদ্বার।

শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে এসে দিনভর প্রাণের মেলা জমে উঠে উপজেলার তুষভাণ্ডার আর এম এম পি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। একদিকে ছুটির দিন অন্যদিকে প্রাণের বইমেলা। সব মিলিয়ে মেলা প্রাঙ্গণজুড়ে দেখা যায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়।

আগতদের বেশিরভাগই ছিল তরুণ-তরুণী। এ মেলায় কালো শাড়ি আর পাঞ্জাবি পরা কিশোর তরুণ-তরুণীরা মেলায় কবিতায়, গল্পে, উপন্যাসে, সাইন্সফিকশনে একুশকে নতুন করে খুঁজে নিয়েছেন তারা।

বারাজান এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েক জন তুরুণ শিক্ষার্থী সোহানুর, আজিজুল, নাইম, আরিফুল জামান, ওমর, রকিদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানায়, তারা ৭ম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুল শেষ করে বই মেলায় ঘুরতে এসেছি। বইও কিনেছি।

এম এম পি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের বই মেলায় আসার বিষয়ে নাইম বলেন, বই মেলায় আসলে অনেক বই দেখা যায়, তাই বন্ধুরা মিলে মেলায় এসেছি। দুইটি গোয়েন্দা কাহিনীর বই কিনেছি। আর বন্ধুরা সাইন্স ফিকশন বই কিনেছে।

বই মেলায় আসা আরেক শিশু শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান জানায়, বাবা-মায়ের সঙ্গে বই মেলায় এসেছি। বই মেলায় ঘুরতে ভালোলাগে, পাশাপাশি স্টলে গিয়ে শিশু কিশোরদের বই দেখতেও ভালোলাগে।

বইমেলা এখন আর শুধু লেখক-পাঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই বইমেলা হয়ে উঠেছে বাঙালী আনার মিলনমেলা। পাশাপাশি বইমেলার প্রেমে পড়েছে শিশু কিশোরাও।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য