আখতারুজ্জামান আখতার, ঠাকুরগাঁও থেকে: এমপিওভুক্তিতে দুর্নীতিতে জড়িত থাকা ঠাকুরগাঁও পাঁচ মো: শাহীন আক্তারসহ মো: শাহীন আক্তারসহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে বদলির তথ্য জানা যায়। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে এমপিও বিকেন্দ্রীকরণের পর দুর্নীতি ও হয়রানির মাত্রা ও স্তর বেড়ে যায়।

আগে যেখানে দুই জায়গায় ঘুষ দিলেই এমপিওভুক্ত হওয়া যেত সেখানে বিকেন্দ্রীকরণের পর চার/পাঁচ স্তরে ঘুষ দিতে বাধ্য হন শিক্ষক-কর্মচারিরা। এ নিয়ে গত দুই বছরের বেশি সময় যাবত বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।

এমপিও দুর্নীতির বিষয়ে অধিকতরো অনুসন্ধান করে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। সংস্থাটির ৪৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ঘুষ-দুনীতির বিশদ বিবরণ রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণ্লায় থেকে ওই প্রতিবেদনটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয় প্রায় দশ দিন আগে।

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সুপারিশ করে দেয়া প্রতিবেদনটির আলোকে আজ রোববার মাত্র ৫ জন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। প্রতিবেদনটির শিরোনাম “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিদের এমপিও কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বিশেষ প্রতিবেদন”।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহীন আক্তারের বিরুদ্ধে প্রতি আবেদনকারীর কাছ থেকে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা করে ঘুষ গ্রহণ নেয়ার অভিযোগ আছে।

এমপিওর ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষকদের কাগজপত্র সঠিকভাবে স্কান করা হয়নি বলে আবেদন বাতিল করে দেন তিনি। এভাবে বার বার হয়রানির মাধ্যমে শিক্ষকদের ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।

অন্যদিকে কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আলাউদ্দিন আল আজাদ, ঝালকাঠি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রাণ গোপাল দে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম ছায়েদুর রহমানসহ পাঁচ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে এমপিওভুক্তিতে দুর্নীতিতে জড়িত থাকায় ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য