জিম্বাবুয়ের সাবেক ফার্স্ট লেডি গ্রেস মুগাবের ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়ে চলা তদন্তে জিম্বাবুয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দেশটির দুর্নীতি দমন সংস্থা উপাচার্য লেভি নিয়াগুরাকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ এনেছে বলে খবর বিবিসির।

২০১৪ সালে ওই পিএইচডি ডিগ্রি পেয়েছিলেন গ্রেস। সচরাচর কয়েক বছর সময় লাগলেও তৎকালীন ফার্স্ট লেডি পিএইচডি প্রোগ্রামে নাম লেখানোর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ডিগ্রি পেয়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়টির কর্মীরা একটি পিটিশন দাখিল করলে পরে এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।

জিম্বাবুয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সদস্যরা বলছেন, তারা গ্রেসের ডক্টরেট ডিগ্রির সমর্থনে পর্যাপ্ত প্রমাণ দেখেননি।

সাবেক ফার্স্ট লেডির ডিগ্রি কেড়ে নিয়ে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানান তারা।

বিবিসি বলছে, নির্ধারিত সময়ে অন্যদের সঙ্গে গ্রেসের গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত না হওয়ায় তখন থেকেই এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল। ডিগ্রি পাওয়ার চার বছর পর, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবন্ধটি অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার পর সন্দেহ আরও বেড়ে যায়।

গ্রেস তার ডিগ্রিটি নিয়েছিলেন স্বামী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের হাত থেকে, রবার্ট সেসময় বিশ্ববিদ্যালয়টির আচার্য ছিলেন।

রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়ে ওঠার সময় বিভিন্ন প্রচারে গ্রেস এ ডক্টরেট উপাধি ব্যবহার করেছিলেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য