ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ফসলি জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ইট ভাটা বন্ধ করতে নিদ্দেশ দিয়েছে, দেশের সর্বচ্চ আদালত আপিল বিভাগ।

গত ৫ ফেব্রুয়ারী আপিল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওহাব মিঞার নেতৃতে বিচারপতি সৈয়দ মাহামুদ হাছান, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমাম আলী, বিচারপতি হাছান ফয়েজ সিদ্দিক ও বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার ৫ বিচার পতির গঠিত ব্রাঞ্চে। ভাটার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসী সৈয়দ সুলতান হোসেনের দায়ের করা একটি রিট পিটিশন শুনানী অন্তে এই আদেশ দেন।

আজ বুধবার উচ্চ আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য। ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আদালতের আদেশ কপি সরবরাহ করেন। উচ্চ আদালতে রীট পিটিশন দায়েরকারী সৈয়দ সুলতান হোসেনসহ গ্রামবাসীরা।

গ্রামবাসীরা বলেন ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের চককবীর গ্রামের কোল ঘেষে ইট ভাটা নির্মান করেন লোকমান হাকিম নামে এক জৈনক্য ব্যবসায়ী। ইট ভাটাটি গ্রামের কোল ঘেষে তিন ফসলি জমিতে নির্মান করায় ফসলের ও স্বাস্থ্যর ক্ষতির আশঙ্কায় পড়ে গ্রামবাসীরা। এই কারনে চককবীর গ্রামবাসীরা ভাটাটি বন্ধ করার জন্য প্রসাশনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন। এই ঘটনায় একাধিন পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়।

এই কারনে উপজেলা প্রসাশন কয়েক দফা ইট ভাটাটি বন্ধ করলেও ইট ভাটাটির কার্য্যক্রম চালিয়ে যায় ভাটা মালিক। ভাটাটি বন্ধ না হওয়ায়, চককবীর গ্রামের সৈয়দ সুলতান হোসেন ইট ভাটাটি বন্ধ করার জন্য গ্রামবাসীদের পক্ষে গত ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোটে একটি রীট পিটিশন দাকীল করেন। রীট পিটিশনটি শুনানী অন্তে গত ২০ নভেম্বর মহামান্য হাইকোট ভাটাটি বন্ধ করার আদেশ দেন।

এরপর ভাটা মালিক লোকমান হোসেন হাইকোটের আদেশের বিরুদ্ধে একই বছরের ১৩ ডিসেম্বর আপিল করেন। আপিলটি চলতি সনের গত ২৮ জানুয়ারী ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওহাব মিয়ার নেতৃত্বে, বিচারপতি সৈয়দ মাহামুদ হাছান, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমাম আলী, বিচারপতি হাছান ফয়েজ সিদ্দিক ও বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দা ৫জন বিচারপতির গঠিত ব্রেঞ্চে শুনানী হয়। শুনানী অন্তে গত ৫ ফেব্রæয়ারী অবৈদ্য ভাটাটি বন্ধ করার আদেশ দেন।

রীট পিটিশন দাখীল কারী সৈয়দ সুলতান হোসেন বলেন ইট ভাটাটি নির্মান করলে ইঠ ভাটার ধোয়ায় গ্রামবাসীরা নানাবীদ রোগে আক্রান্ত হবে।

এছাড়া গ্রামের দুই পামে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, সেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও ¯^াস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে এবং তিন ফসলি জমির চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়বে। এই কারনে গ্রামবাসীরা বারবার ইট বাঠাটি বন্দ করার জন্য প্রসাশনসহ আইন আদালতের নিকট যাচ্ছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস ছালাম চৌধুরী বলেন। যেহেতু উচ্চ আদালত থেকে ভাটা বন্ধ করার নির্দ্দেশ দিয়েছে এখন আর ভাটাটি চালাতে পারবে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য