মো: ইউসুফ আলী, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) থেকে: পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে মৎস্য বিভাগের “স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি” (লিফ) নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত খবর পত্রিকায় প্রকাশের পর নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

৬ ফেব্রুয়ারী বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি শারমিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানাগেছে। সভায় সংশি­ষ্ট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে নিয়োগ নীতিমালা অনুসরণ পূর্বক পুনরায় লিফ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুর“ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উলে­খ্য, সম্প্রতি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শামসুর রহমান নিয়োগ নীতিমালা উপেক্ষা করে মৎস্য চাষ ব্যবস্থাপনা কমিটির আনুষ্ঠানিক সভা না করে মনগড়া রেজুলেশন পূর্বক গোপনে উপজেলার দু‘টি ইউনিয়নে “স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি” (লিফ) নিয়োগ দেন।

নিয়োগ প্রাপ্ত “স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি” (লিফ) উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের জনৈক রফিজুল ইসলামের পুত্র মোঃ হবিবর রহমান ও ধামোর ইউনিয়নের মোঃ এন্তাজুল হকের পুত্র মোঃ মাজেদুর রহমান ইতিমধ্যে প্রশি¶ণ গ্রহণ পূর্বক উপজেলা মৎস্য অফিসে যাতায়াত শুর“ করলে গোপন নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ পায়।

এব্যাপারে সংশি­ষ্ট মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি নিয়োগের বিষয়টি অতি তুচ্ছ ঘটনা উলে­খ পূর্বক কৌশলে এড়িয়ে যান এবং সাংবাদিকদের জানান সংশি­ষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের সুপারিশে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাৎ¶নিকভাবে সংশি­ষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগণের সাথে যোগাযোগ করা হলে নিয়োগের বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না বলে সাংবাদিকদের জানান।

এদিকে নিয়োগ কমিটির খোদ সভাপতির সাথে কথা বললে তিনিও জানান, লিফ নিয়োগের ব্যাপারে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। আপনাদের মাধ্যমে আমি জানতে পারলাম।

এদিকে এসংক্রান্ত খবর পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হলে বিভাগীয় ভাবে রংপুরের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর মোঃ মাহফুজার রহমান কর্তৃক ইতোমধ্যে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা নীতিমালা অনুসরণ পূর্বক পুনরায় “স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি” (লিফ) নিয়োগের সুপারিশ করেন সূত্রজানায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য