আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট থেকে: লালমানরহাট সদর উপজেলায় গোলাপি (১৫) নামে শারীরিক প্রতিবন্ধি এক কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে জাবেদ আলী (৫৫) নামের এক লম্পটকে আটক করে থানা পুলিশ। ধর্ষিতা কিশোরী গোলাপি আদিতমারী বুদ্ধি প্রতিন্ধি অটিষ্টিক স্কুলের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী এবং হারাটি ইউনিয়নের সরকারটারী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।

সোমবার দুপুরে ওই প্রতিবন্ধি কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। জানা গেছে, সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের সরকারটারী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর শারিরীক প্রতিবন্ধি ওই কিশোরী সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশে আনন্দ স্কুলে তার মাকে ডাকতে যায়। এ সময় প্রতিবেশি মৃত ইব্রাহিমের ছেলে জাবেদ আলী (৫৫) গোলাপির মুখ চেপে ধরে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এ সময় কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে ধর্ষক জাবেদ আলী পালিয়ে যায়। শারীরিক প্রতিবন্ধি গোলাপি সাংবাদিকদের জানান, ওই গ্রামের কিছু মহিলা সেখানে একটি সমিতি করে। সন্ধ্যায় সমিতির মিটিংয়ে তার মা বাড়ির পাশে আনন্দ স্কুলে যায়। রাতে রান্না করার জন্য ওই কিশোরী তার মাকে লম্পট জাবেদের বাড়ির উপর দিয়ে যাওয়ার সময় জাবেদ তার মুখ চেপে ধরে তার ঘরে নিয়ে ধর্ষন করে।

এ সময় তার বাড়িতে কেউ ছিল না। পরে চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে জাবেদ পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মেয়েটির গরিব বাবা মা বিচার চেয়ে সমাজের গন্যমান্যদের দাড়স্থ হন। কিন্তু তারা সমাধান দিতে ব্যর্থ হলে মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে রবিবার রাতে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ওই দিনেই সদর থানার এসআই জহুরুল হক অভিযান চালিয়ে ধর্ষক জাবেদ আলীকে গ্রেফতার করে। থানা পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে ধর্ষিতাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সোমবার লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মেয়েটির মা দাবি করে বলেন, তার শারিরীক প্রতিবন্ধি কিশোরী মেয়ে যৌবনে পা দিয়েছে।

এ অবস্থায় তার মেয়ে গর্ভবতী হলে তারা সমাজে মুখ দেখাতে পারবেন না। তাই তিনি ধর্ষকের শাস্তি দাবী করেন। লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম জানান, বাদির অভিযোগটি ধর্ষন মামলা হিসেবে গ্রহন করার পর পরই আসামি জাবেদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য