ফিলিস্তিনের অন্তত ৪৫টি স্কুল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গুড়িয়ে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মানবাধিকার সমন্বয়ক বিষয়ক দফতর জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যেই গুড়িয়ে দেওয়া হতে পারে ফিলিস্তিনি স্কুলগুলো। মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

জাতিসংঘের সংস্থাটির ফিলিস্তিনি অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রবার্তো ভ্যালেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, পূর্ব জেরুজালেমে একটি স্কুল ধ্বংস করেছে ইসরায়েল। ভেঙে ফেলার সময় বলা হয়, ‘ইসরায়েলি অনুমতি ছাড়া স্কুলটি থাকতে পারবে না। কিন্তু এই অনুমতি পাওয়া অসম্ভব।’

তিনি বলেন, আবু নুয়ারে ৪৫টি স্কুলের প্রত্যেকটিতে শত শত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এগুলো ভেঙে ফেললে শিশুদের শিক্ষা হুমকির মুখে পড়বে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি সেনারা ২৬ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা করা ক্লাসরুম ভেঙে ফেলেছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অর্থায়ন করতো ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কিন্তু তারাও এই ঘটনার কোনও প্রতিবাদ করেনি।

ভ্যালেন্ট বলেন, যেসব স্থানে মানবিক সহায়তা প্রয়োজন তার মধ্যে অন্যতম হলো আবু নাওয়ার। ইসরায়েল প্রায়ই এখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

১৯৯৫ সালের অসলো চুক্তি অনুযায়ী পশ্চিমতীরকে এ, বি ও সি তিনটি এলাকায় ভাগ করা হয়েছে। এ এলাকাটি ফিলিস্তিনের আওতায় ছিল। ‘বি’ এলাকাটি ফিলিস্তিনকে দেওয়া হলেও নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল ইসরায়েলের। আর ‘সি’ এলাকাটির পুরোপুরি দখল ছিলো ইসরায়েলের। আবু নাওয়ার এলাকাটি পড়েছে ‘সি’ অঞ্চলে। এখানে ৭০০ মানুষের বসবাস। ভাগ করার সময়ই তারা ইসরায়েলের চাপে পড়ে। কিন্তু গ্রাম ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায় তারা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য