মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগন নতুন পরমাণু নীতি ঘোষণা করেছে। এতে দাবি করা হচ্ছে- কম ধ্বংস ক্ষমতার আণবিক অস্ত্র তৈরি করা হবে।

‘নিউক্লিয়ার পোসচার রিভিউ’ বা এনআরপি নামে গতকাল (শুক্রবার) মার্কিন এ নীতি প্রকাশ করা হয়। রাশিয়াকে মোকাবেলা করার উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করল পেন্টাগন যার মাধ্যমে ওবামা আমলের পরমাণু নীতির অবসান হলো বলে মনে করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পরমাণু অস্ত্রের ভূমিকা কমিয়ে আনার নীতি গ্রহণ করেছিলেন। পাশাপাশি পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যাও কমানোর নীতি অনুসরণ করেছিলেন তিনি।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস সূচনা বক্তব্যে নতুন নীতির পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছেন, এটা হচ্ছে বাস্তবতার নিরীখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং বিশ্ব বিষয়টি সেভাবেই দেখবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার পরমাণু সক্ষমতা বাড়ানো এবং তাদের কৌশল ও অস্ত্রের ধরনের মোকাবলায় মার্কিন সরকার এ ব্যবস্থা নিচ্ছে। পেন্টাগন ধারণা করছে, রাশিয়া মনে করে আমেরিকার পরমাণু অস্ত্র এত বেশি বড় যে, তা খুব বেশি কার্যকরী নয়। সে কারণে পেন্টাগন ছোট আকারের পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে।

আমেরিকা যদিও ছোট পরমাণু অস্ত্র বানানোর কথা বলছে যার শক্তি হবে ২০ কিলোটনের কম তারপরও তা অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে আমেরিকা যে বোমা ফেলেছিল, এসব কথিত ছোট পরমাণু বোমার ধ্বংস-ক্ষমতা তার মতোই হবে। আমেরিকার হাতে ব্যাপক ধ্বংস-ক্ষমতার হাজার হাজার পরমাণু বোমা রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য