গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ডিমের দরপতন হওয়ায় খামারীরা বিপাকে পড়েছেন। জানা গেছে, উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও এক পৌর এলাকায় সহ¯্রাধিক মুরগীর খামার রয়েছে। এসকল খামারের ডিম এলাকার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ ডিম পিক-আপ ও ট্রাক যোগে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হয়ে থাকে।

ডিমের দাম ভাল পাওয়ায় দিনদিন খামারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াসহ অনেকে মুরগী খামার দিয়ে স্বাবলম্বী হতে থাকেন। অনেক শিক্ষিত বেকার বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মুরগীর খামার দিয়ে বেকারত্ব ঘুচালেও গত ১০ মাস থেকে ডিমের দরপতন ঘটায় তারা বিপাকে পড়েছেন। মুরগীর খাদ্যের দাম লাগামহীন হওয়ার পাশাপাশি ডিমের দরপতন অনেককে খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

বর্তমানে ডিমের বাজার মুল্য পাইকারী শতকরা হিসেবে ৫’শ থেকে ৫’শ ২০ টাকা হওয়ায় ডিম বিক্রি করে খামারীরা মুরগীর খাদ্যের যোগান দিতেই পারছেন না। প্রতিদিন মুরগীর খাদ্যের যোগান দিতে ঘর থেকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এছাড়া এনজিও ঋণ ও ব্যাংক ঋণ পরিশোধে খামারীরা ব্যর্থ হয়ে ঋণ খেলাপী হয়ে পড়ছেন।

এতে করে গত ১০ মাসে ৪ শতাধিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে বলে খামার মালিকরা জানিয়েছেন। খামার মালিক শাহজাহান মিয়া, মাসুদ আলম, আলমগীর হোসেন, সাইফুল ইসলামসহ অনেকে জানান যে হারে ডিমের দরপতনের সাথে তাল মিলিয়ে খামার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাতে অচিরেই আরও অনেক খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য